কেরানীগঞ্জ উপজেলার কলাতিয়া বাজার এলাকায় অবৈধভাবে খোলা (লুজ) জ্বালানি তেল মজুত ও বিক্রয়ের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। হেমায়েতপুর আর্মি ক্যাম্পের নিয়মিত টহল চলাকালে এ অবৈধ কার্যক্রম শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হয়।
গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন কলাতিয়া বাজার এলাকায় এই অভিযান চলে। অভিযানে কেরানীগঞ্জের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
মোবাইল কোর্ট চলাকালে বাজারের তিনটি পৃথক দোকান থেকে সর্বমোট ১ হাজার ২৬৩ লিটার খোলা অকটেন উদ্ধার করা হয়। বিদ্যমান আইন লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত দোকান মালিকদের দোষী সাব্যস্ত করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে উদ্ধারকৃত জ্বালানি তেল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানে রাকিব অটো নামের একটি দোকান থেকে ১ হাজার লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়। দোকানটির মালিক কবির হোসেন (৪৫), কলাতিয়া, কেরানীগঞ্জ। তাকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ৪ দিনের মধ্যে উদ্ধারকৃত জ্বালানি তেল বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়া হামিম স্টোরের মালিক হুমায়ুন কবির (৪৭), কলাতিয়া, কেরানীগঞ্জের কাছ থেকে ১০৩ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়। তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদানসহ ২ দিনের মধ্যে জ্বালানি তেল বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অপরদিকে হৃদয় স্টোরের মালিক আলতাফ হোসেন (৪৮), কলাতিয়া, কেরানীগঞ্জের কাছ থেকে ১৬০ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়। তাকেও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ২ দিনের মধ্যে বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান এবং এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। বেসামরিক প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, জনস্বার্থে অবৈধ জ্বালানি তেল ব্যবসার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
কেরানীগঞ্জ উপজেলার কলাতিয়া বাজার এলাকায় অবৈধভাবে খোলা (লুজ) জ্বালানি তেল মজুত ও বিক্রয়ের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। হেমায়েতপুর আর্মি ক্যাম্পের নিয়মিত টহল চলাকালে এ অবৈধ কার্যক্রম শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হয়।
গত ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন কলাতিয়া বাজার এলাকায় এই অভিযান চলে। অভিযানে কেরানীগঞ্জের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।
মোবাইল কোর্ট চলাকালে বাজারের তিনটি পৃথক দোকান থেকে সর্বমোট ১ হাজার ২৬৩ লিটার খোলা অকটেন উদ্ধার করা হয়। বিদ্যমান আইন লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত দোকান মালিকদের দোষী সাব্যস্ত করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে উদ্ধারকৃত জ্বালানি তেল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুমোদিত চ্যানেলের মাধ্যমে বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানে রাকিব অটো নামের একটি দোকান থেকে ১ হাজার লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়। দোকানটির মালিক কবির হোসেন (৪৫), কলাতিয়া, কেরানীগঞ্জ। তাকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ৪ দিনের মধ্যে উদ্ধারকৃত জ্বালানি তেল বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এছাড়া হামিম স্টোরের মালিক হুমায়ুন কবির (৪৭), কলাতিয়া, কেরানীগঞ্জের কাছ থেকে ১০৩ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়। তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদানসহ ২ দিনের মধ্যে জ্বালানি তেল বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অপরদিকে হৃদয় স্টোরের মালিক আলতাফ হোসেন (৪৮), কলাতিয়া, কেরানীগঞ্জের কাছ থেকে ১৬০ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়। তাকেও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ২ দিনের মধ্যে বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান এবং এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। বেসামরিক প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, জনস্বার্থে অবৈধ জ্বালানি তেল ব্যবসার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন