নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কের সামনে চাঁদা না দেওয়ায় কিছু সন্ত্রাসী সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ঢাকা থেকে আসা পেশাদার সাংবাদিকরা পার্কে পিকনিকে থাকার পর গাড়িতে ফেরার সময় হামলার শিকার হন।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার সময় দুর্বৃত্তরা চাঁদা দাবি করলে সাংবাদিকরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর তারা দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনায় কমপক্ষে ৫–১২ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মোহাম্মদ শাহেদ ও এস এম ফয়েজসহ কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুইজন সন্দেহভাজনকে আটক করে। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ জানায়, তদন্ত চলমান এবং জড়িত সকলকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।
ঘটনার পর ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CRAB) হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও বিবৃতি দিয়ে হামলার নিন্দা জানিয়ে জানিয়েছে, এটি মিডিয়ার স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্বের ওপর সরাসরি আক্রমণ। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আহত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা জরুরি।
হামলার মূল কারণ ছিল সাংবাদিকরা চাঁদা দিতে অস্বীকার করা। সামাজিক ও পেশাদার সংগঠনগুলোও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কের সামনে চাঁদা না দেওয়ায় কিছু সন্ত্রাসী সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। ঢাকা থেকে আসা পেশাদার সাংবাদিকরা পার্কে পিকনিকে থাকার পর গাড়িতে ফেরার সময় হামলার শিকার হন।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার সময় দুর্বৃত্তরা চাঁদা দাবি করলে সাংবাদিকরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর তারা দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনায় কমপক্ষে ৫–১২ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মোহাম্মদ শাহেদ ও এস এম ফয়েজসহ কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুইজন সন্দেহভাজনকে আটক করে। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ জানায়, তদন্ত চলমান এবং জড়িত সকলকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।
ঘটনার পর ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CRAB) হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীও বিবৃতি দিয়ে হামলার নিন্দা জানিয়ে জানিয়েছে, এটি মিডিয়ার স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্বের ওপর সরাসরি আক্রমণ। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আহত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা জরুরি।
হামলার মূল কারণ ছিল সাংবাদিকরা চাঁদা দিতে অস্বীকার করা। সামাজিক ও পেশাদার সংগঠনগুলোও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন