ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আজ ঘোষণা করেছে যে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষ করার সময়সীমা বাড়িয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে। এর আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার শেষ সময় ছিল ২৫ জানুয়ারি। সময়সীমা বাড়ানোর মূল কারণ হলো সরকারি হাসপাতালগুলোতে পরীক্ষা শেষ করতে না পারা কিছু যাত্রীদের সুযোগ নিশ্চিত করা।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজযাত্রীদের সকল নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সরকারি হাসপাতাল থেকে সম্পন্ন করতে হবে। তথ্য বা সহায়তার জন্য কল করা যাবে হজ কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও রিপোর্ট সম্পন্ন না হলে টিকা গ্রহণের সুযোগও থাকবে না এবং স্বাস্থ্য সনদ ছাড়া সৌদি আরব যাত্রা সম্ভব হবে না।
হজযাত্রীদের জন্য মোট ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে রয়েছে রক্তের সাধারণ পরীক্ষা (CBC), কিডনির কার্য পরীক্ষা (Serum Creatinine), র্যান্ডম ব্লাড সুগার (RBS), এক্স-রে চেস্ট, ইসিজি (ECG), রক্তের গ্রুপ ও আরএইচ (Rh) টাইপ নির্ধারণ এবং প্রস্রাবের পরীক্ষা। প্রয়োজন অনুযায়ী কিডনি, লিভার বা ফুসফুসের বিশেষ পরীক্ষা যেমন ইউএসজি (USG), ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা সিটি-স্ক্যান (CT-Scan)ও করা হতে পারে।
পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে যাত্রীদের টিকা প্রদান করা হবে এবং পরে স্বাস্থ্য সনদ দেওয়া হবে, যা সৌদি আরব যাত্রার জন্য বাধ্যতামূলক। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষ করার শেষ দিন ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এবং পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক সময় সৌদি আরবে ২৬ মে ২০২৬।
ধর্ম মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেছে, পরীক্ষা ও টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত হজ পালনের জন্য অপরিহার্য।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আজ ঘোষণা করেছে যে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষ করার সময়সীমা বাড়িয়ে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে। এর আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার শেষ সময় ছিল ২৫ জানুয়ারি। সময়সীমা বাড়ানোর মূল কারণ হলো সরকারি হাসপাতালগুলোতে পরীক্ষা শেষ করতে না পারা কিছু যাত্রীদের সুযোগ নিশ্চিত করা।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজযাত্রীদের সকল নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সরকারি হাসপাতাল থেকে সম্পন্ন করতে হবে। তথ্য বা সহায়তার জন্য কল করা যাবে হজ কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও রিপোর্ট সম্পন্ন না হলে টিকা গ্রহণের সুযোগও থাকবে না এবং স্বাস্থ্য সনদ ছাড়া সৌদি আরব যাত্রা সম্ভব হবে না।
হজযাত্রীদের জন্য মোট ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে রয়েছে রক্তের সাধারণ পরীক্ষা (CBC), কিডনির কার্য পরীক্ষা (Serum Creatinine), র্যান্ডম ব্লাড সুগার (RBS), এক্স-রে চেস্ট, ইসিজি (ECG), রক্তের গ্রুপ ও আরএইচ (Rh) টাইপ নির্ধারণ এবং প্রস্রাবের পরীক্ষা। প্রয়োজন অনুযায়ী কিডনি, লিভার বা ফুসফুসের বিশেষ পরীক্ষা যেমন ইউএসজি (USG), ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা সিটি-স্ক্যান (CT-Scan)ও করা হতে পারে।
পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে যাত্রীদের টিকা প্রদান করা হবে এবং পরে স্বাস্থ্য সনদ দেওয়া হবে, যা সৌদি আরব যাত্রার জন্য বাধ্যতামূলক। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষ করার শেষ দিন ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এবং পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক সময় সৌদি আরবে ২৬ মে ২০২৬।
ধর্ম মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে বলেছে, পরীক্ষা ও টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত হজ পালনের জন্য অপরিহার্য।

আপনার মতামত লিখুন