আগামী পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক ও বাজারদর স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে এক কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এই তেল সংগ্রহের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল। মোট ১০টি লটে দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এই বিশাল পরিমাণ সয়াবিন তেল কেনা হবে। এই প্রক্রিয়ায় সরকারের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮৫ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সংগৃহীত এই তেল ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর মাধ্যমে সাধারণ কার্ডধারী ভোক্তাদের মাঝে সাশ্রয়ী মূল্যে বিতরণ করা হবে।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড থেকে কেনা হবে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল। এই চালানের জন্য সরকারের ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটার তেলের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮৫ টাকা ৯৫ পয়সা।
একই সঙ্গে শবনম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড থেকেও সমপরিমাণ অর্থাৎ ৫০ লাখ লিটার তেল সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এই লটে সরকারের খরচ হবে ৯২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং প্রতি লিটার তেলের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯০ পয়সা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রমজানে ভোজ্যতেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে যেন কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি না হয়, সে লক্ষ্যেই আগাম এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া একই বৈঠকে সয়াবিন তেলের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সার আমদানির সংক্রান্ত পৃথক একটি প্রস্তাবও অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
আগামী পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক ও বাজারদর স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে এক কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এই তেল সংগ্রহের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল। মোট ১০টি লটে দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এই বিশাল পরিমাণ সয়াবিন তেল কেনা হবে। এই প্রক্রিয়ায় সরকারের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮৫ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সংগৃহীত এই তেল ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর মাধ্যমে সাধারণ কার্ডধারী ভোক্তাদের মাঝে সাশ্রয়ী মূল্যে বিতরণ করা হবে।
অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড থেকে কেনা হবে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল। এই চালানের জন্য সরকারের ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটার তেলের ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮৫ টাকা ৯৫ পয়সা।
একই সঙ্গে শবনম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড থেকেও সমপরিমাণ অর্থাৎ ৫০ লাখ লিটার তেল সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এই লটে সরকারের খরচ হবে ৯২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং প্রতি লিটার তেলের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯০ পয়সা।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রমজানে ভোজ্যতেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে যেন কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি না হয়, সে লক্ষ্যেই আগাম এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া একই বৈঠকে সয়াবিন তেলের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সার আমদানির সংক্রান্ত পৃথক একটি প্রস্তাবও অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

আপনার মতামত লিখুন