নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কের সামনে চাঁদা না দেওয়ায় ঢাকায় কর্মরত পেশাদার সাংবাদিকরা সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে পিকনিক শেষে ফেরার সময় এই ঘটনা ঘটে।
হামলায় অন্তত পাঁচজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে শাহেদ নামে একজনের অবস্থা গুরুতর। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্র্যাব) সদস্যরা পার্কে পিকনিক শেষে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাদের গাড়িগুলো পার্কের বাইরের রাস্তায় রাখা ছিল। গাড়িগুলো আসার সময় স্থানীয় সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি করে। সাংবাদিকরা প্রতিবাদ করলে প্রথমে তর্ক হয়, পরে সন্ত্রাসীরা জড়ো হয়ে মব তৈরির চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা রড ও দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা চালায়।
হামলার শিকার সাংবাদিকরা হলেন মোহাম্মদ শাহেদ, এসএম ফয়েজ, মহসিন, সাখাওয়াত কাওসার এবং ক্র্যাবের স্টাফ লাল। তারা মাথাসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গুরুতর জখম হয়েছেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত এক সন্ত্রাসী তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং গুলি করার হুমকিও দেন। উত্তেজিত হয়ে তারা বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেন।
হামলাকারীদের একজন পুলিশের আটক।
সাংবাদিকরা ঘটনার পর জেলা পুলিশ সুপারকে ফোন করেন। পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে ও আসতে দেরি হওয়ায় হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কের সামনে চাঁদা না দেওয়ায় ঢাকায় কর্মরত পেশাদার সাংবাদিকরা সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে পিকনিক শেষে ফেরার সময় এই ঘটনা ঘটে।
হামলায় অন্তত পাঁচজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে শাহেদ নামে একজনের অবস্থা গুরুতর। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্র্যাব) সদস্যরা পার্কে পিকনিক শেষে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাদের গাড়িগুলো পার্কের বাইরের রাস্তায় রাখা ছিল। গাড়িগুলো আসার সময় স্থানীয় সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি করে। সাংবাদিকরা প্রতিবাদ করলে প্রথমে তর্ক হয়, পরে সন্ত্রাসীরা জড়ো হয়ে মব তৈরির চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা রড ও দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা চালায়।
হামলার শিকার সাংবাদিকরা হলেন মোহাম্মদ শাহেদ, এসএম ফয়েজ, মহসিন, সাখাওয়াত কাওসার এবং ক্র্যাবের স্টাফ লাল। তারা মাথাসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গুরুতর জখম হয়েছেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত এক সন্ত্রাসী তাদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং গুলি করার হুমকিও দেন। উত্তেজিত হয়ে তারা বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেন।
হামলাকারীদের একজন পুলিশের আটক।
সাংবাদিকরা ঘটনার পর জেলা পুলিশ সুপারকে ফোন করেন। পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে ও আসতে দেরি হওয়ায় হামলাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন