নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে মেহনাজ খানম (২০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের মঙ্গলাহাটা গ্রামে তার বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মেহনাজ খানম মঙ্গলাহাটা গ্রামের ইলিয়াস শেখের মেয়ে। পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার বিয়ে হলেও তিনি একমাত্র সন্তানসহ বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যদের অগোচরে মেহনাজ নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নেন। কিছু সময় পর তাকে দেখতে না পেয়ে স্বজনরা ঘরে গিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে পরিবারের সদস্যরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
লোহাগড়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে মেহনাজ খানম (২০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মল্লিকপুর ইউনিয়নের মঙ্গলাহাটা গ্রামে তার বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মেহনাজ খানম মঙ্গলাহাটা গ্রামের ইলিয়াস শেখের মেয়ে। পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার বিয়ে হলেও তিনি একমাত্র সন্তানসহ বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় পরিবারের সদস্যদের অগোচরে মেহনাজ নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নেন। কিছু সময় পর তাকে দেখতে না পেয়ে স্বজনরা ঘরে গিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে পরিবারের সদস্যরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
লোহাগড়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন