যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১২৭ মেট্রিক টন বিস্ফোরক দ্রব্যের একটি বড় চালান বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে আটটি ট্রাকে করে এই বিস্ফোরকগুলো বন্দরে প্রবেশ করে। এই বিশাল চালানকে কেন্দ্র করে বন্দর এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন।
বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, আমদানিকৃত এই বিস্ফোরক চালানের গ্রহীতা বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান 'মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড'। দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনি প্রকল্পের পাথর উত্তোলন ও খনন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এসব বিস্ফোরক আনা হয়েছে।
বিস্ফোরক বোঝাই ট্রাকগুলো বাংলাদেশে প্রবেশের পর পরই সেগুলোকে দ্রুত বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে সরিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে এই ইয়ার্ডটি। সাধারণের চলাচল সীমিত করার পাশাপাশি পুরো বন্দর এলাকা এখন প্রশাসনিক কঠোর নজরদারির আওতায় রয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "মোট আটটি ট্রাকে করে ১২৭ মেট্রিক টন বিস্ফোরক আমদানি করা হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে এবং কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে বিস্ফোরকগুলো পুলিশের পাহারায় দিনাজপুরে পাঠানো হবে।"
স্থলবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ ধরনের সংবেদনশীল পণ্য খালাস ও পরিবহনের সময় বিশেষ প্রোটোকল অনুসরণ করা হয়। কাগজপত্রের যাচাই-বাছাই ও কারিগরি পরীক্ষা শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভারতীয় ট্রাক থেকে বাংলাদেশি ট্রাকে এই বিস্ফোরকগুলো স্থানান্তর করে গন্তব্যে পাঠানো হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত ইয়ার্ডের নিরাপত্তা বলয় বলবৎ থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১২৭ মেট্রিক টন বিস্ফোরক দ্রব্যের একটি বড় চালান বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে আটটি ট্রাকে করে এই বিস্ফোরকগুলো বন্দরে প্রবেশ করে। এই বিশাল চালানকে কেন্দ্র করে বন্দর এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন।
বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, আমদানিকৃত এই বিস্ফোরক চালানের গ্রহীতা বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান 'মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড'। দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনি প্রকল্পের পাথর উত্তোলন ও খনন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এসব বিস্ফোরক আনা হয়েছে।
বিস্ফোরক বোঝাই ট্রাকগুলো বাংলাদেশে প্রবেশের পর পরই সেগুলোকে দ্রুত বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে সরিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে এই ইয়ার্ডটি। সাধারণের চলাচল সীমিত করার পাশাপাশি পুরো বন্দর এলাকা এখন প্রশাসনিক কঠোর নজরদারির আওতায় রয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "মোট আটটি ট্রাকে করে ১২৭ মেট্রিক টন বিস্ফোরক আমদানি করা হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলে এবং কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে বিস্ফোরকগুলো পুলিশের পাহারায় দিনাজপুরে পাঠানো হবে।"
স্থলবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ ধরনের সংবেদনশীল পণ্য খালাস ও পরিবহনের সময় বিশেষ প্রোটোকল অনুসরণ করা হয়। কাগজপত্রের যাচাই-বাছাই ও কারিগরি পরীক্ষা শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভারতীয় ট্রাক থেকে বাংলাদেশি ট্রাকে এই বিস্ফোরকগুলো স্থানান্তর করে গন্তব্যে পাঠানো হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত ইয়ার্ডের নিরাপত্তা বলয় বলবৎ থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন