আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ ও নির্বাচনী আচরণবিধি নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ হিসেবে সারাদেশে ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-২ শাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিযুক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা 'মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯'-এর ৫ ধারা মোতাবেক বিশেষ ক্ষমতা প্রাপ্ত হবেন। তারা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণের পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত অবস্থান করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখবেন।
প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে নিজ নিজ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবশ্যিকভাবে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজে যোগদানের পর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের অধিক্ষেত্রে এসব কর্মকর্তার দায়িত্ব ও কর্ম এলাকা বণ্টন করে দেবেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নির্বাচনী কার্যক্রমে নিয়োজিত এসব ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রতিদিনের কাজের খতিয়ান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য নির্ধারিত ছক অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করতে হবে।
সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা রোধ করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ ও নির্বাচনী আচরণবিধি নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ হিসেবে সারাদেশে ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-২ শাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। জনস্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিযুক্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা 'মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯'-এর ৫ ধারা মোতাবেক বিশেষ ক্ষমতা প্রাপ্ত হবেন। তারা সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণের পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত অবস্থান করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখবেন।
প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে নিজ নিজ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা রিটার্নিং অফিসারের কাছে আবশ্যিকভাবে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজে যোগদানের পর জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের অধিক্ষেত্রে এসব কর্মকর্তার দায়িত্ব ও কর্ম এলাকা বণ্টন করে দেবেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নির্বাচনী কার্যক্রমে নিয়োজিত এসব ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রতিদিনের কাজের খতিয়ান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য নির্ধারিত ছক অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করতে হবে।
সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা রোধ করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করা।

আপনার মতামত লিখুন