ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শ্বশুরের সম্পত্তি দখলে মাস্টারমাইন্ড

শাশুড়ীকে দিয়ে শ্যালকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ


স্টাফ রিপোর্টার :
স্টাফ রিপোর্টার :
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

শাশুড়ীকে দিয়ে শ্যালকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
অভিযুক্ত ডা. আবু জার গাফফার।

নওগাঁ সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আবু জার গাফফারের বিরুদ্ধে সরকারি পদ ও প্রভাব খাটিয়ে শ্বশুরের পারিবারিক সম্পত্তি আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, সম্পত্তির লোভে পরিকল্পিতভাবে শাশুড়ীকে ব্যবহার করে তিনি নিজের শ্যালক জুমাতুল এম ইসলাম-এর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়, পারিবারিক বিরোধকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফৌজদারি মামলায় রূপ দিয়ে শ্যালকের ওপর ‘সন্ত্রাসী’ তকমা লাগানোর অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মাকে দিয়ে নিজের ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করিয়ে একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে জেল-জুলুম, পুলিশি হয়রানি ও দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পক্ষ।

এ বিষয়ে জুমাতুল এম ইসলাম-এর চাচা বুলবুল কবিরাজ বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অন্যায়। তিনি এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে সঠিক ও নিরপেক্ষ বিচার দাবি করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর কোনো সত্যতা নেই। কেবল সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে সরকারি প্রভাব খাটিয়ে তাদের অপরাধী বানানোর চেষ্টা চলছে। এর ফলে জেল, পুলিশি হয়রানি ও সামাজিক অপমানের শিকার হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি চাকরির পরিচয় ও প্রশাসনিক যোগাযোগকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ডা. আবু জার গাফফার আইনি প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। পারিবারিক বিরোধকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি মামলায় রূপ দিয়ে প্রতিপক্ষকে দমন ও সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, প্রভাবশালীরা যদি এভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও জেলে পাঠাতে পারে, তবে ন্যায়বিচার প্রশ্নের মুখে পড়ে। তারা এ ঘটনার নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেন।

নওগাঁ জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুলতান আহম্মেদ ও অ্যাডভোকেট রফিকুল আলম বলেন, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এ ঘটনায় নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, হয়রানি বন্ধ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডা. আবু জার গাফফারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


শাশুড়ীকে দিয়ে শ্যালকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

নওগাঁ সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আবু জার গাফফারের বিরুদ্ধে সরকারি পদ ও প্রভাব খাটিয়ে শ্বশুরের পারিবারিক সম্পত্তি আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, সম্পত্তির লোভে পরিকল্পিতভাবে শাশুড়ীকে ব্যবহার করে তিনি নিজের শ্যালক জুমাতুল এম ইসলাম-এর বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়েছেন।


অভিযোগে বলা হয়, পারিবারিক বিরোধকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফৌজদারি মামলায় রূপ দিয়ে শ্যালকের ওপর ‘সন্ত্রাসী’ তকমা লাগানোর অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মাকে দিয়ে নিজের ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করিয়ে একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে জেল-জুলুম, পুলিশি হয়রানি ও দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পক্ষ।


এ বিষয়ে জুমাতুল এম ইসলাম-এর চাচা বুলবুল কবিরাজ বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অন্যায়। তিনি এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে সঠিক ও নিরপেক্ষ বিচার দাবি করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর কোনো সত্যতা নেই। কেবল সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে সরকারি প্রভাব খাটিয়ে তাদের অপরাধী বানানোর চেষ্টা চলছে। এর ফলে জেল, পুলিশি হয়রানি ও সামাজিক অপমানের শিকার হতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি চাকরির পরিচয় ও প্রশাসনিক যোগাযোগকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ডা. আবু জার গাফফার আইনি প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। পারিবারিক বিরোধকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি মামলায় রূপ দিয়ে প্রতিপক্ষকে দমন ও সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।


এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, প্রভাবশালীরা যদি এভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও জেলে পাঠাতে পারে, তবে ন্যায়বিচার প্রশ্নের মুখে পড়ে। তারা এ ঘটনার নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেন।


নওগাঁ জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুলতান আহম্মেদ ও অ্যাডভোকেট রফিকুল আলম বলেন, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এ ঘটনায় নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত অত্যন্ত জরুরি। ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, হয়রানি বন্ধ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে।


এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডা. আবু জার গাফফারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ