নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন। অভিযানে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন লঙ্ঘনের দায়ে ইটভাটাটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয় ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে সৈয়দপুর উপজেলার মুশরত ধূলিয়া ও খিয়ারজুম্মা এলাকায় অবস্থিত মো. রেজাউল ইসলাম মালিকানাধীন মেসার্স এস এস জেড ব্রিকস নামক ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ধারা ৫(১) লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ কারণে ইটভাটাটিকে ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা জরিমানা ধার্য করে তা আদায় করা হয়। একই সঙ্গে অনুমোদন ছাড়াই কৃষিজমি থেকে মাটি সংগ্রহ করে ইটভাটা পরিচালনার দায়ে পানি স্প্রে করে কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয় এবং কিলনের আগুন নিভিয়ে দেওয়া হয়।
এছাড়া পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইটভাটার সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসন, নীলফামারীর সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উদ্দীন অভিযানে নেতৃত্ব দেন। পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অভিযানে নীলফামারী জেলা পুলিশ বিভাগের একটি চৌকস দল সহযোগিতা করে।
পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন। অভিযানে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন লঙ্ঘনের দায়ে ইটভাটাটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয় ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে সৈয়দপুর উপজেলার মুশরত ধূলিয়া ও খিয়ারজুম্মা এলাকায় অবস্থিত মো. রেজাউল ইসলাম মালিকানাধীন মেসার্স এস এস জেড ব্রিকস নামক ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ধারা ৫(১) লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ কারণে ইটভাটাটিকে ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা জরিমানা ধার্য করে তা আদায় করা হয়। একই সঙ্গে অনুমোদন ছাড়াই কৃষিজমি থেকে মাটি সংগ্রহ করে ইটভাটা পরিচালনার দায়ে পানি স্প্রে করে কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয় এবং কিলনের আগুন নিভিয়ে দেওয়া হয়।
এছাড়া পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইটভাটার সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসন, নীলফামারীর সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উদ্দীন অভিযানে নেতৃত্ব দেন। পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অভিযানে নীলফামারী জেলা পুলিশ বিভাগের একটি চৌকস দল সহযোগিতা করে।
পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, পরিবেশ সংরক্ষণ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন