পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার দেবীডুবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র রায় প্রধান তার শপথ গ্রহণের আগের একটি বিতর্কিত ওয়ারিশন সনদ সম্পর্কে তিনি কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ কোনোভাবেই অবগত ছিলেন না বলে লিখিত প্রত্যয়ন দিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই ওয়ারিশন সনদে থাকা স্বাক্ষর তার নিজের নয় বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দেবীডুবা ইউনিয়ন পরিষদের অফিসিয়াল প্যাডে স্বাক্ষরিত এ প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেন চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র রায় প্রধান। প্রত্যয়নপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি দেবীডুবা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
প্রত্যয়নপত্র অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৮ জানুয়ারি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি তার কাছে একটি ওয়ারিশন সনদের সার্ভার কপি এবং ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তারিখে ইস্যু দেখানো ১১২ নম্বর ওয়ারিশন সনদের অনুলিপি প্রদানের জন্য লিখিত আবেদন করেন। তবে ওই ওয়ারিশন সনদ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে প্রেরণ করা হয়নি বলেও প্রত্যয়নে উল্লেখ করা হয়।
চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র রায় প্রধান আরও জানান, যেহেতু তিনি ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন, সেহেতু তার শপথ গ্রহণের পূর্বে ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তারিখে ইস্যু দেখানো ১১১ নম্বর ওয়ারিশন সনদের বিষয়ে তিনি কিংবা তার ইউনিয়ন পরিষদ কোনোভাবেই অবগত ছিলেন না।
প্রত্যয়নপত্রে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়, উক্ত ওয়ারিশন সনদে চেয়ারম্যানের নামে যে স্বাক্ষর রয়েছে, তা তার নিজের স্বাক্ষর নয় এবং ওই সনদে তিনি কোনোভাবেই স্বাক্ষর করেননি। চেয়ারম্যান তার জ্ঞান ও বিশ্বাস অনুযায়ী এসব বক্তব্য সত্য মর্মে প্রত্যয়ন প্রদান করেছেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দেবীডুবা ইউনিয়নের একটি ওয়ারিশন সনদকে কেন্দ্র করে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে ওই সনদের বৈধতা ও স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই চেয়ারম্যানের এই লিখিত প্রত্যয়ন সামনে আসে।
উল্লেখ্য, বিতর্কিত ওই ওয়ারিশন সনদের ভিত্তিতে দেবীডুবা ইউনিয়নের সোনাপোতা ধানপাড়া এলাকার ১ দশমিক ১৬ একর জমি নিজের নামে খারিজ করে নেন আব্দুল্লাহ মাসুদ। এ সংক্রান্ত নামজারি মামলার নম্বর ৩৪০৫ (IX-X)/২০২৪-২০২৫। অভিযোগ রয়েছে, নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময় তিনি নিজের সৎ মা ও ভাই-বোনদের নাম বাদ দিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার দেবীডুবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র রায় প্রধান তার শপথ গ্রহণের আগের একটি বিতর্কিত ওয়ারিশন সনদ সম্পর্কে তিনি কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ কোনোভাবেই অবগত ছিলেন না বলে লিখিত প্রত্যয়ন দিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই ওয়ারিশন সনদে থাকা স্বাক্ষর তার নিজের নয় বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দেবীডুবা ইউনিয়ন পরিষদের অফিসিয়াল প্যাডে স্বাক্ষরিত এ প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেন চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র রায় প্রধান। প্রত্যয়নপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি দেবীডুবা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
প্রত্যয়নপত্র অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৮ জানুয়ারি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি তার কাছে একটি ওয়ারিশন সনদের সার্ভার কপি এবং ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তারিখে ইস্যু দেখানো ১১২ নম্বর ওয়ারিশন সনদের অনুলিপি প্রদানের জন্য লিখিত আবেদন করেন। তবে ওই ওয়ারিশন সনদ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে প্রেরণ করা হয়নি বলেও প্রত্যয়নে উল্লেখ করা হয়।
চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র রায় প্রধান আরও জানান, যেহেতু তিনি ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন, সেহেতু তার শপথ গ্রহণের পূর্বে ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তারিখে ইস্যু দেখানো ১১১ নম্বর ওয়ারিশন সনদের বিষয়ে তিনি কিংবা তার ইউনিয়ন পরিষদ কোনোভাবেই অবগত ছিলেন না।
প্রত্যয়নপত্রে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়, উক্ত ওয়ারিশন সনদে চেয়ারম্যানের নামে যে স্বাক্ষর রয়েছে, তা তার নিজের স্বাক্ষর নয় এবং ওই সনদে তিনি কোনোভাবেই স্বাক্ষর করেননি। চেয়ারম্যান তার জ্ঞান ও বিশ্বাস অনুযায়ী এসব বক্তব্য সত্য মর্মে প্রত্যয়ন প্রদান করেছেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দেবীডুবা ইউনিয়নের একটি ওয়ারিশন সনদকে কেন্দ্র করে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে ওই সনদের বৈধতা ও স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই চেয়ারম্যানের এই লিখিত প্রত্যয়ন সামনে আসে।
উল্লেখ্য, বিতর্কিত ওই ওয়ারিশন সনদের ভিত্তিতে দেবীডুবা ইউনিয়নের সোনাপোতা ধানপাড়া এলাকার ১ দশমিক ১৬ একর জমি নিজের নামে খারিজ করে নেন আব্দুল্লাহ মাসুদ। এ সংক্রান্ত নামজারি মামলার নম্বর ৩৪০৫ (IX-X)/২০২৪-২০২৫। অভিযোগ রয়েছে, নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময় তিনি নিজের সৎ মা ও ভাই-বোনদের নাম বাদ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন