ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলার ২০টি আসনে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে ১৬২ জনের মধ্যে ২৭ জন প্রার্থী ভোটের মাঠ ছেড়েছেন। এতে ঢাকার এখন ভোটের মাঠ রইলো ১৩৫ জন প্রার্থী।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দিনভর ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা জেলা প্রশাসক ও ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা পৃথকভাবে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। জানা গেছে, সেগুনবাগিচার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ২১ জন, ঢাকা আঞ্চলিক রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ৪ জন এবং ঢাকা জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ২ জন মিলিয়ে মোট ২৭ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
এর মধ্যে আগের সোমবার ঢাকা-১৮ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত বিলকিস নাসিমা রহমান। কার্যালয়ের তথ্য প্রধানকারী কর্মকর্তা তাহজীব হাসান হৃদম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহারের তালিকায় আছেন—ঢাকা-৫ আসনের বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মোখলেছুর রহমান কাছেমী, আমার বাংলাদেশ পার্টির মো. লুৎফুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির এস এম শাহরিয়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিকুর রহমান নায়ু মুন্সী। ঢাকা-৬ আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টির গাজী নাসির, ঢাকা-৭ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির তারেক আহম্মেদ আদেল, ঢাকা-৯ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. ফয়েজ বখশ্ সরকার এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কবির আহমদ।
ঢাকা-১০ আসনে খেলাফত মজলিসের আহমদ আলী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা-১৬ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আহসানউল্লাহ ও মো. রিফাত হোসেন মালিক, ঢাকা-১৭ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. এমদাদুল হক, ঢাকা-১৮ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আশরাফুল হক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এল.ডি.পির মফিজুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ (আমীন)।
ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঢাকা-১৩ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মুরাদ হোসেন এবং ঢাকা-১৫ আসনে গণফোরামের এ কে এম শফিকুল ইসলাম মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঢাকা-১ আসনে খেলাফত মজলিসের ফরহাদ হোসেন, ঢাকা-১৯ আসনে খেলাফত মজলিসের একে এম এনামুল হক ও জামায়েতে ইসলামীর আফজাল হোসাইন এবং ঢাকা-২০ আসনে জামায়েত ইসলামীর আব্দুর রউফ মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এছাড়া ঢাকা-৭ আসনে স্বতন্ত্র মো. মনির হোসেন এবং ঢাকা-১৭ আসনে স্বতন্ত্র মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেনও তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর আগামী বুধবার প্রতীক বরাদ্দ পাবেন প্রার্থীরা, যারা পরদিন থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী তার সইযুক্ত লিখিত নোটিসের মাধ্যমে নির্ধারিত দিন বা তার আগে নিজে বা লিখিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারবেন। কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল যদি কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়, তবে সেই দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বা অনুরূপ পদধারী লিখিত পত্রের মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। প্রচারণা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলার ২০টি আসনে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে ১৬২ জনের মধ্যে ২৭ জন প্রার্থী ভোটের মাঠ ছেড়েছেন। এতে ঢাকার এখন ভোটের মাঠ রইলো ১৩৫ জন প্রার্থী।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দিনভর ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা জেলা প্রশাসক ও ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা পৃথকভাবে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। জানা গেছে, সেগুনবাগিচার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ২১ জন, ঢাকা আঞ্চলিক রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ৪ জন এবং ঢাকা জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ২ জন মিলিয়ে মোট ২৭ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
এর মধ্যে আগের সোমবার ঢাকা-১৮ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত বিলকিস নাসিমা রহমান। কার্যালয়ের তথ্য প্রধানকারী কর্মকর্তা তাহজীব হাসান হৃদম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহারের তালিকায় আছেন—ঢাকা-৫ আসনের বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মোখলেছুর রহমান কাছেমী, আমার বাংলাদেশ পার্টির মো. লুৎফুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির এস এম শাহরিয়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিকুর রহমান নায়ু মুন্সী। ঢাকা-৬ আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টির গাজী নাসির, ঢাকা-৭ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির তারেক আহম্মেদ আদেল, ঢাকা-৯ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. ফয়েজ বখশ্ সরকার এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কবির আহমদ।
ঢাকা-১০ আসনে খেলাফত মজলিসের আহমদ আলী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা-১৬ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আহসানউল্লাহ ও মো. রিফাত হোসেন মালিক, ঢাকা-১৭ আসনে খেলাফত মজলিসের মো. এমদাদুল হক, ঢাকা-১৮ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আশরাফুল হক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এল.ডি.পির মফিজুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ (আমীন)।
ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঢাকা-১৩ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মুরাদ হোসেন এবং ঢাকা-১৫ আসনে গণফোরামের এ কে এম শফিকুল ইসলাম মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ঢাকা-১ আসনে খেলাফত মজলিসের ফরহাদ হোসেন, ঢাকা-১৯ আসনে খেলাফত মজলিসের একে এম এনামুল হক ও জামায়েতে ইসলামীর আফজাল হোসাইন এবং ঢাকা-২০ আসনে জামায়েত ইসলামীর আব্দুর রউফ মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এছাড়া ঢাকা-৭ আসনে স্বতন্ত্র মো. মনির হোসেন এবং ঢাকা-১৭ আসনে স্বতন্ত্র মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেনও তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর আগামী বুধবার প্রতীক বরাদ্দ পাবেন প্রার্থীরা, যারা পরদিন থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী তার সইযুক্ত লিখিত নোটিসের মাধ্যমে নির্ধারিত দিন বা তার আগে নিজে বা লিখিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন করতে পারবেন। কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল যদি কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়, তবে সেই দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বা অনুরূপ পদধারী লিখিত পত্রের মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। প্রচারণা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।

আপনার মতামত লিখুন