বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় পরিবেশ ধ্বংসকারী অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে কিচক ইউনিয়নের চিলইল এবং আটমুল ইউনিয়নের হাজিপুর পুটখুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বালুমহাল ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
অভিযানকালে অবৈধ মাটি কাটার ফলে কৃষিজমি, পরিবেশ ও জনস্বার্থে মারাত্মক ক্ষতির চিত্র উঠে আসে। প্রশাসনের স্পষ্ট নির্দেশনা উপেক্ষা করে একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাটি কেটে এলাকায় বিপর্যয় সৃষ্টি করে আসছিল।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বালুমহাল ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ লঙ্ঘন করে অবৈধ মাটি কাটা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। পরিবেশ ধ্বংসকারী ও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় পরিবেশ ধ্বংসকারী অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে কিচক ইউনিয়নের চিলইল এবং আটমুল ইউনিয়নের হাজিপুর পুটখুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বালুমহাল ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
অভিযানকালে অবৈধ মাটি কাটার ফলে কৃষিজমি, পরিবেশ ও জনস্বার্থে মারাত্মক ক্ষতির চিত্র উঠে আসে। প্রশাসনের স্পষ্ট নির্দেশনা উপেক্ষা করে একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাটি কেটে এলাকায় বিপর্যয় সৃষ্টি করে আসছিল।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বালুমহাল ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ লঙ্ঘন করে অবৈধ মাটি কাটা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। পরিবেশ ধ্বংসকারী ও আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলবে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন