আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার (১৯ জানুয়ারি, ২০২৬) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির ২০তম বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনী নিরাপত্তায় এবার মোট ৪১৮টি ড্রোন (প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ৪১৮টি, তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী আরও বাড়তে পারে) মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী ২০০টি, বিজিবি ১০০টি, পুলিশ ৫০টি, কোস্টগার্ড ২০টি, এবং নৌবাহিনী, র্যাব ও আনসার বাহিনী প্রত্যেকে ১৬টি করে ড্রোন ব্যবহার করবে। আকাশপথ থেকে নজরদারির পাশাপাশি বিভিন্ন বাহিনীর প্রশিক্ষিত ডগ স্কোয়াড ভোটকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করবে।
‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’ এবারের নির্বাচনে প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) থেকে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’ প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপদেষ্টা। অ্যাপটি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে ভোটার বা সংশ্লিষ্টরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা হবে।
দুর্গম এলাকায় বিমানবাহিনীর সহায়তা চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকার কেন্দ্রসমূহে ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী পৌঁছানো এবং কর্মকর্তাদের যাতায়াতের জন্য বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনের আগে ও পরে কোনো ধরনের অপতৎপরতা বা বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা কঠোর হাতে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি জানান, ভোটারদের আস্থা ফেরাতে নির্বাচনের চার দিন আগে থেকেই সারা দেশে নিবিড় টহল শুরু করবে বাহিনীগুলো।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার (১৯ জানুয়ারি, ২০২৬) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির ২০তম বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনী নিরাপত্তায় এবার মোট ৪১৮টি ড্রোন (প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ৪১৮টি, তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী আরও বাড়তে পারে) মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী ২০০টি, বিজিবি ১০০টি, পুলিশ ৫০টি, কোস্টগার্ড ২০টি, এবং নৌবাহিনী, র্যাব ও আনসার বাহিনী প্রত্যেকে ১৬টি করে ড্রোন ব্যবহার করবে। আকাশপথ থেকে নজরদারির পাশাপাশি বিভিন্ন বাহিনীর প্রশিক্ষিত ডগ স্কোয়াড ভোটকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করবে।
‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’ এবারের নির্বাচনে প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) থেকে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’ প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপদেষ্টা। অ্যাপটি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রিটার্নিং অফিসার এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে ভোটার বা সংশ্লিষ্টরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা হবে।
দুর্গম এলাকায় বিমানবাহিনীর সহায়তা চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকার কেন্দ্রসমূহে ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী পৌঁছানো এবং কর্মকর্তাদের যাতায়াতের জন্য বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনের আগে ও পরে কোনো ধরনের অপতৎপরতা বা বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা কঠোর হাতে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি জানান, ভোটারদের আস্থা ফেরাতে নির্বাচনের চার দিন আগে থেকেই সারা দেশে নিবিড় টহল শুরু করবে বাহিনীগুলো।

আপনার মতামত লিখুন