রাজধানীর বাড্ডায় সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার সময় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা ফুজি টাওয়ারের সামনে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন। তাদের এই কর্মসূচির ফলে কুড়িল থেকে রামপুরা পর্যন্ত প্রধান সড়কে যান চলাচল প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে এবং সাধারণ যাত্রী ও অফিসগামীদের ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিক্ষোভের মুখে থাকা চালকরা লিথিয়াম ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, এই ধরনের রিকশা তাদের জীবিকা হ্রাস করছে এবং নিরাপদ সড়ক চলাচলের জন্য এই চলমান নীতিমালায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। দাবির কোন সুরাহা না হলে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
বাড্ডা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আজহারুল ইসলাম জানান, চালকরা সকাল থেকেই সড়ক অবরোধ করে অবস্থান করছেন এবং পুলিশের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের সাথে আলোচনা ও সমাধানের পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। তবে অবরোধ অব্যাহত থাকায় যানজটের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে, ধীরগতির মেট্রোরেল নির্মাণকাজের কারণে ইতিমধ্যেই ওই এলাকায় সড়কে সরাসরি চলাচলের জায়গা কম থাকায় এই নতুন অবরোধের ফলে যানজট আরও বড় আকার ধারণ করেছে। আশপাশের সড়কগুলোতেও যান চলাচলের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনেক পথচারী ও টেকনিক্যাল যানকে বিকল্প রাস্তায় যেতে বাধ্য হতে হচ্ছে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ থাকলে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কর্মজীবী ও ব্যবসায়ীরা সময় পড়তে সমস্যায় পরে পড়ছেন। কিছু ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, যানজটের কারণে পণ্য সরবরাহ ও প্রতিদিনের বাণিজ্য কার্যক্রমও প্রভাবিত হচ্ছে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন চালকদের সাথে আলোচনায় বসার পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকল্প পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। তবু সকাল থেকে চলমান অবরোধের কারণে যানজট ও ভোগান্তি কমে নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর বাড্ডায় সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার সময় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা ফুজি টাওয়ারের সামনে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন। তাদের এই কর্মসূচির ফলে কুড়িল থেকে রামপুরা পর্যন্ত প্রধান সড়কে যান চলাচল প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে এবং সাধারণ যাত্রী ও অফিসগামীদের ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিক্ষোভের মুখে থাকা চালকরা লিথিয়াম ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, এই ধরনের রিকশা তাদের জীবিকা হ্রাস করছে এবং নিরাপদ সড়ক চলাচলের জন্য এই চলমান নীতিমালায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। দাবির কোন সুরাহা না হলে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
বাড্ডা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আজহারুল ইসলাম জানান, চালকরা সকাল থেকেই সড়ক অবরোধ করে অবস্থান করছেন এবং পুলিশের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের সাথে আলোচনা ও সমাধানের পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। তবে অবরোধ অব্যাহত থাকায় যানজটের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে, ধীরগতির মেট্রোরেল নির্মাণকাজের কারণে ইতিমধ্যেই ওই এলাকায় সড়কে সরাসরি চলাচলের জায়গা কম থাকায় এই নতুন অবরোধের ফলে যানজট আরও বড় আকার ধারণ করেছে। আশপাশের সড়কগুলোতেও যান চলাচলের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনেক পথচারী ও টেকনিক্যাল যানকে বিকল্প রাস্তায় যেতে বাধ্য হতে হচ্ছে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে অবরোধ থাকলে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কর্মজীবী ও ব্যবসায়ীরা সময় পড়তে সমস্যায় পরে পড়ছেন। কিছু ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, যানজটের কারণে পণ্য সরবরাহ ও প্রতিদিনের বাণিজ্য কার্যক্রমও প্রভাবিত হচ্ছে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন চালকদের সাথে আলোচনায় বসার পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকল্প পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। তবু সকাল থেকে চলমান অবরোধের কারণে যানজট ও ভোগান্তি কমে নি।

আপনার মতামত লিখুন