রাজধানীর গুলশানে একটি ভাড়া বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মিম (২৭) নামে এক নারী বিউটি পার্লারকর্মীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে গুলশানের কালাচাঁদপুর পাকা মসজিদ পশ্চিম পাড়ার ক-৮৯ নম্বর বাসা থেকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার নারীর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের রুমমেট নুসরাতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
নিহত সাদিয়া রহমান মিম টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার মৃত শহীদ আলীর সন্তান। তিনি কালাচাঁদপুর এলাকায় নিজের একটি বিউটি পার্লার পরিচালনা করতেন। নিহতের বড় বোন শাহিদা আক্তার জানান, গত শুক্রবার দুপুরের পর থেকে মিমের সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি তার রুমমেটদের সাথে কথা বলেন। রুমমেটরা তখন গ্রামে আছেন বলে তাকে জানান। বোনকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে শনিবার রাতে তিনি ঢাকা পৌঁছান এবং মিমের ভাড়া বাসায় গিয়ে দেখেন সেটি তালাবদ্ধ। পরবর্তীতে বাড়িওয়ালা ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে মিমের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি। মরদেহের গলার অর্ধেক অংশ কাটা এবং মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে গুলশান থানা পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল সম্পন্ন করে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মিম তার নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। তার ইতিপূর্বে দুটি বিয়ে হয়েছিল এবং প্রথম পক্ষের ঘরে পাঁচ বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। নিহতের বোনজামাই নূর নবী জানান, এই ঘটনায় মিমের বড় বোন শাহিদা বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে। মরদেহ দাফনের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মারুফ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহের মাথা, মুখ ও গলায় ধারালো অস্ত্রের অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহত মিম এক সময় বারের ড্যান্সার হিসেবে কাজ করতেন এবং বর্তমানে তার একটি পার্লার ছিল। তার আগের দুটি বিয়ে বিচ্ছেদে শেষ হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ এবং নেপথ্যে কারা জড়িত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে কোনো ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা (মামলা নং-৩৭) দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে নিহতের রুমমেটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর গুলশানে একটি ভাড়া বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মিম (২৭) নামে এক নারী বিউটি পার্লারকর্মীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে গুলশানের কালাচাঁদপুর পাকা মসজিদ পশ্চিম পাড়ার ক-৮৯ নম্বর বাসা থেকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার নারীর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের রুমমেট নুসরাতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
নিহত সাদিয়া রহমান মিম টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার মৃত শহীদ আলীর সন্তান। তিনি কালাচাঁদপুর এলাকায় নিজের একটি বিউটি পার্লার পরিচালনা করতেন। নিহতের বড় বোন শাহিদা আক্তার জানান, গত শুক্রবার দুপুরের পর থেকে মিমের সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি তার রুমমেটদের সাথে কথা বলেন। রুমমেটরা তখন গ্রামে আছেন বলে তাকে জানান। বোনকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে শনিবার রাতে তিনি ঢাকা পৌঁছান এবং মিমের ভাড়া বাসায় গিয়ে দেখেন সেটি তালাবদ্ধ। পরবর্তীতে বাড়িওয়ালা ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে মিমের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি। মরদেহের গলার অর্ধেক অংশ কাটা এবং মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে গুলশান থানা পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল সম্পন্ন করে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মিম তার নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। তার ইতিপূর্বে দুটি বিয়ে হয়েছিল এবং প্রথম পক্ষের ঘরে পাঁচ বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। নিহতের বোনজামাই নূর নবী জানান, এই ঘটনায় মিমের বড় বোন শাহিদা বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে। মরদেহ দাফনের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মারুফ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহের মাথা, মুখ ও গলায় ধারালো অস্ত্রের অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহত মিম এক সময় বারের ড্যান্সার হিসেবে কাজ করতেন এবং বর্তমানে তার একটি পার্লার ছিল। তার আগের দুটি বিয়ে বিচ্ছেদে শেষ হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঠিক কারণ এবং নেপথ্যে কারা জড়িত তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে কোনো ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা (মামলা নং-৩৭) দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে নিহতের রুমমেটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন