তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, গণভোটের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোনো প্রকার শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে যেন আর কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে, সেই লক্ষ্যেই রাষ্ট্রীয় সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। অপশাসন থেকে মুক্তি লাভের আকাঙ্ক্ষা থাকলে সংস্কারের পক্ষে মত দিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সূচক রায় প্রদান করতে তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। আজ রোববার নীলফামারী শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দেশের সাধারণ মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার হীন উদ্দেশ্যে জনগণকে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। এছাড়াও ফ্যাসিবাদ কায়েমের মাধ্যমে গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে আর কোনো রাজনৈতিক দল যাতে স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য জনগণকে গণভোটে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরার প্রবণতা রুখতে পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
গণভোটের সুদূরপ্রসারী গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, জনগণের রায় যদি ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে আসে, তবে ভবিষ্যতে আর কেউ নিজের ইচ্ছামতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না। এর মাধ্যমে জনগণ প্রকৃত অর্থে ক্ষমতায়িত হবে এবং নাগরিক মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। তিনি গুম ও খুনের সংস্কৃতি থেকে স্থায়ী উত্তরণ, ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে জনগণকে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ জানান। আগামী সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার গঠনে এমন প্রতিনিধি নির্বাচন করতে হবে যারা নিজের স্বার্থে নয়, বরং জনগণের কল্যাণে নিবেদিত থাকবে।
গণভোটে কেউ কেউ ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা জানান, এটি তাদের রাজনৈতিক অধিকার এবং সেই কারণেই গণভোটে ‘না’ অপশনটি রাখা হয়েছে। নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. আবু জাফর, নীলফামারীর পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুবাশ্বিরা আয়াতুল্লাহ এবং ছাত্র নেতা আলিফ সিদ্দিকী প্রান্ত। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, গণভোটের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে কোনো প্রকার শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশে যেন আর কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে, সেই লক্ষ্যেই রাষ্ট্রীয় সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। অপশাসন থেকে মুক্তি লাভের আকাঙ্ক্ষা থাকলে সংস্কারের পক্ষে মত দিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সূচক রায় প্রদান করতে তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। আজ রোববার নীলফামারী শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে দেশের সাধারণ মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। ক্ষমতা কুক্ষিগত করার হীন উদ্দেশ্যে জনগণকে নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। এছাড়াও ফ্যাসিবাদ কায়েমের মাধ্যমে গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে আর কোনো রাজনৈতিক দল যাতে স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য জনগণকে গণভোটে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরার প্রবণতা রুখতে পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
গণভোটের সুদূরপ্রসারী গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, জনগণের রায় যদি ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে আসে, তবে ভবিষ্যতে আর কেউ নিজের ইচ্ছামতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না। এর মাধ্যমে জনগণ প্রকৃত অর্থে ক্ষমতায়িত হবে এবং নাগরিক মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। তিনি গুম ও খুনের সংস্কৃতি থেকে স্থায়ী উত্তরণ, ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে জনগণকে সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অনুরোধ জানান। আগামী সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার গঠনে এমন প্রতিনিধি নির্বাচন করতে হবে যারা নিজের স্বার্থে নয়, বরং জনগণের কল্যাণে নিবেদিত থাকবে।
গণভোটে কেউ কেউ ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে উপদেষ্টা জানান, এটি তাদের রাজনৈতিক অধিকার এবং সেই কারণেই গণভোটে ‘না’ অপশনটি রাখা হয়েছে। নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. আবু জাফর, নীলফামারীর পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুবাশ্বিরা আয়াতুল্লাহ এবং ছাত্র নেতা আলিফ সিদ্দিকী প্রান্ত। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন