জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর আস্থা রাখা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে ইসির মিডিয়া সেন্টারের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক সংস্থা। সংবিধানে কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সব মহলকে সহযোগিতার কথা বলা আছে। রাষ্ট্রপতিও নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে। তাই ইসির ওপর আস্থা রাখা ছাড়া বাস্তবে আর কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত জাতীয় পার্টির প্রায় ৪০টি আপিল শুনানি হয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন নিজেই প্রায় ৩৫টি আপিল মঞ্জুর করেছে। এ ছাড়া হাইকোর্ট থেকে তিনটি আপিল ফেরত পাওয়া গেছে। আরও তিনটি আপিল বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দু-একটি বাদে প্রায় সব মনোনয়নই ফিরে পাওয়া যাবে এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা উৎসাহ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাপা মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশনের ভেতরেই হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। কমিশনের করিডর ও অফিসের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতেও এমন ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পুলিশকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থায় দেখা গেছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনকে শুধু কমিশন ভবনে নয়, সারা দেশের প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। যেখানে একটি অফিসই পুরোপুরি নিরাপদ নয়, সেখানে সারাদেশে নির্বাচন কতটা নিরাপদ হবে—তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তার মতে, সরকার ও নির্বাচন কমিশন এখনো নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। প্রশাসনকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, কারণ বর্তমানে তাদের কার্যক্রম খুব ধীরগতির বলে মনে হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওপর আস্থা রাখা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে ইসির মিডিয়া সেন্টারের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক সংস্থা। সংবিধানে কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সব মহলকে সহযোগিতার কথা বলা আছে। রাষ্ট্রপতিও নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে। তাই ইসির ওপর আস্থা রাখা ছাড়া বাস্তবে আর কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত জাতীয় পার্টির প্রায় ৪০টি আপিল শুনানি হয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন নিজেই প্রায় ৩৫টি আপিল মঞ্জুর করেছে। এ ছাড়া হাইকোর্ট থেকে তিনটি আপিল ফেরত পাওয়া গেছে। আরও তিনটি আপিল বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দু-একটি বাদে প্রায় সব মনোনয়নই ফিরে পাওয়া যাবে এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা উৎসাহ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাপা মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশনের ভেতরেই হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। কমিশনের করিডর ও অফিসের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতেও এমন ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পুলিশকে কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থায় দেখা গেছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনকে শুধু কমিশন ভবনে নয়, সারা দেশের প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। যেখানে একটি অফিসই পুরোপুরি নিরাপদ নয়, সেখানে সারাদেশে নির্বাচন কতটা নিরাপদ হবে—তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তার মতে, সরকার ও নির্বাচন কমিশন এখনো নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। প্রশাসনকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, কারণ বর্তমানে তাদের কার্যক্রম খুব ধীরগতির বলে মনে হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন