শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর টঙ্গীতে শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে ছাত্র–জনতার বিক্ষোভ মিছিলে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে সাময়িক যান চলাচল ব্যাহত হয়।
শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে ছাত্র–জনতা। ‘ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী ছাত্র–জনতা’ ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শত শত শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ ও মুসল্লি অংশ নেন।
বিক্ষোভ মিছিলটি টঙ্গীর এশিয়া পাম্প এলাকা থেকে শুরু হয়ে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী সরকারি কলেজ গেট এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় এশিয়া পাম্পে এসে শেষ হয়। কর্মসূচির সময় কিছুক্ষণের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হলেও সমাবেশ শেষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডকে নৃশংস ও পরিকল্পিত অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে জনমনে ক্ষোভ আরও বাড়বে। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান বক্তারা।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা লাবিব মুয়ান্নাদ, সাবেক শিবির নেতা আফিফ হাসান ইয়াকুব, তামীরুল মিল্লাত কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের এজিএস মঈনুল ইসলাম এবং মুর্তুজা হাসান ফুয়াদ। তারা বলেন, শহীদ হাদির আত্মত্যাগ জাতিকে নতুন করে প্রতিবাদের ভাষা শিখিয়েছে। হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তারা।
এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য আর জে রিয়াদ টঙ্গীর খাঁ–পাড়া এলাকায় একটি ‘ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের আদর্শিক, সাংস্কৃতিক ও নৈতিক বিকাশে এই কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি তুলে ধরেন এবং প্রশাসনের প্রতি শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর টঙ্গীতে শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে ছাত্র–জনতার বিক্ষোভ মিছিলে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে সাময়িক যান চলাচল ব্যাহত হয়।
শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে ছাত্র–জনতা। ‘ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী ছাত্র–জনতা’ ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে শত শত শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ ও মুসল্লি অংশ নেন।
বিক্ষোভ মিছিলটি টঙ্গীর এশিয়া পাম্প এলাকা থেকে শুরু হয়ে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী সরকারি কলেজ গেট এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় এশিয়া পাম্পে এসে শেষ হয়। কর্মসূচির সময় কিছুক্ষণের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হলেও সমাবেশ শেষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডকে নৃশংস ও পরিকল্পিত অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে জনমনে ক্ষোভ আরও বাড়বে। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান বক্তারা।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা লাবিব মুয়ান্নাদ, সাবেক শিবির নেতা আফিফ হাসান ইয়াকুব, তামীরুল মিল্লাত কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের এজিএস মঈনুল ইসলাম এবং মুর্তুজা হাসান ফুয়াদ। তারা বলেন, শহীদ হাদির আত্মত্যাগ জাতিকে নতুন করে প্রতিবাদের ভাষা শিখিয়েছে। হত্যার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তারা।
এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য আর জে রিয়াদ টঙ্গীর খাঁ–পাড়া এলাকায় একটি ‘ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মের আদর্শিক, সাংস্কৃতিক ও নৈতিক বিকাশে এই কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি তুলে ধরেন এবং প্রশাসনের প্রতি শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন