ইসলামিক ক্যালেন্ডারের ন’তম মাস রমজান ২০২৬ সালের জন্য সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন ইসলামিক ক্যালেন্ডার ও আন্তর্জাতিক অনুমান অনুযায়ী, রমজান শুরু হতে পারে ১৮ বা ১৯ ফেব্রুয়ারি, যেখানে বাংলাদেশে প্রথম রোজা সম্ভাব্যভাবে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ হতে পারে।
রমজান মাস সাধারণত ২৯ বা ৩০ দিন স্থায়ী হয়। চাঁদ দেখা অনুযায়ী রমজান শেষ হলে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী ২০২৬ সালের রমজান ২০ মার্চ পর্যন্ত চলতে পারে। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও স্থানীয় ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের চাঁদ দেখা ঘোষণার ওপর।
রমজান মাস মুসলিমদের জন্য ইবাদত, আত্মসংযম ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের সময়। ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা পালন, দোয়া, কোরআন তেলাওয়াত এবং দান দিক্ষার মাধ্যমে মুসলিমরা আত্মিক ও সামাজিক উন্নতির চেষ্টা করেন। বিশেষ রাত লাইলাতুল কদর কে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম হিসেবে কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশে রমজান উদযাপনে সেহরি ও ইফতার সময়সূচি, দান‑সহকর্ম এবং সামাজিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিটি শহরে নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী সেহরি শেষ ও ইফতার শুরু করা হয়। মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য দেশে রমজানকে ঘিরে সাংস্কৃতিক আয়োজন, বিশেষ বাজার এবং কমিউনিটি ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।
বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ ২০২৬ সালের রমজানকে প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিকতায় উদযাপন করবে। তবে চাঁদ দেখা অনুযায়ী তারিখ একদিন আগ বা পিছ হতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
ইসলামিক ক্যালেন্ডারের ন’তম মাস রমজান ২০২৬ সালের জন্য সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন ইসলামিক ক্যালেন্ডার ও আন্তর্জাতিক অনুমান অনুযায়ী, রমজান শুরু হতে পারে ১৮ বা ১৯ ফেব্রুয়ারি, যেখানে বাংলাদেশে প্রথম রোজা সম্ভাব্যভাবে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ হতে পারে।
রমজান মাস সাধারণত ২৯ বা ৩০ দিন স্থায়ী হয়। চাঁদ দেখা অনুযায়ী রমজান শেষ হলে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী ২০২৬ সালের রমজান ২০ মার্চ পর্যন্ত চলতে পারে। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও স্থানীয় ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের চাঁদ দেখা ঘোষণার ওপর।
রমজান মাস মুসলিমদের জন্য ইবাদত, আত্মসংযম ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের সময়। ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা পালন, দোয়া, কোরআন তেলাওয়াত এবং দান দিক্ষার মাধ্যমে মুসলিমরা আত্মিক ও সামাজিক উন্নতির চেষ্টা করেন। বিশেষ রাত লাইলাতুল কদর কে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম হিসেবে কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশে রমজান উদযাপনে সেহরি ও ইফতার সময়সূচি, দান‑সহকর্ম এবং সামাজিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিটি শহরে নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী সেহরি শেষ ও ইফতার শুরু করা হয়। মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য দেশে রমজানকে ঘিরে সাংস্কৃতিক আয়োজন, বিশেষ বাজার এবং কমিউনিটি ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।
বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহ ২০২৬ সালের রমজানকে প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিকতায় উদযাপন করবে। তবে চাঁদ দেখা অনুযায়ী তারিখ একদিন আগ বা পিছ হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন