অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন (অধ্যাদেশ)’ অনুমোদন করেছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হয়।
ড. আসিফ নজরুল জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, তরুণ ও পেশাজীবীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে যেসব মামলা বা অভিযোগ করা হয়েছিল, এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে তারা তা থেকে আইনি সুরক্ষা ও দায়মুক্তি পাবেন। তিনি বলেন, “জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে অপরাধ হিসেবে দেখা যায় না; এই আইন সেই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল অবস্থান।”
২০২৫ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত ব্যাপক গণআন্দোলন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে। ওই সময় নানা অভিযোগ, মামলা, সংঘর্ষসহ অনেক ঘটনাপ্রবাহ ঘটে। সরকারের দাবি, উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে অনেক অভিযোগই বাস্তব প্রেক্ষাপট বিবেচনা না করেই করা হয়েছিল। নতুন অধ্যাদেশ এসব অভিযোগ ও মামলার সমাধানে আইনি কাঠামো তৈরি করবে।
আইন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া উপদেষ্টা পরিষদের আলোচনার পর অনুমোদন পায়। এখন এটি গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায়, যা প্রকাশের পরই আইনটি কার্যকর হবে। আইন কার্যকর হলে আন্দোলনে অংশ নেওয়া কেউই আর জুলাই অভ্যুত্থান-সংক্রান্ত মামলার মুখোমুখি হবেন না।
এদিকে, আইনটিকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। সমর্থকরা বলছেন, জনগণের আন্দোলনের ন্যায়সঙ্গত চরিত্রকে স্বীকৃতি দিতে এই আইন প্রয়োজন ছিল। অন্যদিকে সমালোচকদের একটি অংশের মত, দায়মুক্তির সুযোগ অপব্যবহারের পথও খুলে দিতে পারে। তবে সরকার বলছে, আইনটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণআন্দোলনের স্বীকৃতি নিশ্চিত করতেই আনা হয়েছে।
গেজেট প্রকাশের পর আইনটির সুনির্দিষ্ট কাঠামো, নির্দেশনা ও প্রয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন (অধ্যাদেশ)’ অনুমোদন করেছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হয়।
ড. আসিফ নজরুল জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, তরুণ ও পেশাজীবীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে যেসব মামলা বা অভিযোগ করা হয়েছিল, এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে তারা তা থেকে আইনি সুরক্ষা ও দায়মুক্তি পাবেন। তিনি বলেন, “জনগণের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে অপরাধ হিসেবে দেখা যায় না; এই আইন সেই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল অবস্থান।”
২০২৫ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত ব্যাপক গণআন্দোলন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে। ওই সময় নানা অভিযোগ, মামলা, সংঘর্ষসহ অনেক ঘটনাপ্রবাহ ঘটে। সরকারের দাবি, উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে অনেক অভিযোগই বাস্তব প্রেক্ষাপট বিবেচনা না করেই করা হয়েছিল। নতুন অধ্যাদেশ এসব অভিযোগ ও মামলার সমাধানে আইনি কাঠামো তৈরি করবে।
আইন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া উপদেষ্টা পরিষদের আলোচনার পর অনুমোদন পায়। এখন এটি গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায়, যা প্রকাশের পরই আইনটি কার্যকর হবে। আইন কার্যকর হলে আন্দোলনে অংশ নেওয়া কেউই আর জুলাই অভ্যুত্থান-সংক্রান্ত মামলার মুখোমুখি হবেন না।
এদিকে, আইনটিকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। সমর্থকরা বলছেন, জনগণের আন্দোলনের ন্যায়সঙ্গত চরিত্রকে স্বীকৃতি দিতে এই আইন প্রয়োজন ছিল। অন্যদিকে সমালোচকদের একটি অংশের মত, দায়মুক্তির সুযোগ অপব্যবহারের পথও খুলে দিতে পারে। তবে সরকার বলছে, আইনটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণআন্দোলনের স্বীকৃতি নিশ্চিত করতেই আনা হয়েছে।
গেজেট প্রকাশের পর আইনটির সুনির্দিষ্ট কাঠামো, নির্দেশনা ও প্রয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন