রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম রাজাবাজার এলাকায় গত সোমবার (১২ জানুয়ারী) দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার ভোরের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড‑স্তরের এক নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ (৬৫) এর মরদেহ তার নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি স্থানীয় রাজাবাজার ওয়ার্ড জামায়াতের সহ‑সভাপতি ও রুকন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং পেশায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন।
পুলিশ ও প্রতিবেশীদের কাছে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আনোয়ার উল্লাহর বাসায় দুর্বৃত্তরা রাতে প্রবেশ করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করেছে। পুলিশ তদন্ত অফিসার জানিয়েছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা তাকে জোরপূর্বক বেঁধে রেখে মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে শ্বাসরোধ করতে পারে, অথবা অত্যাধিক ভয়ের কারণে হৃদরোগে মৃত্যু ঘটতে পারে। যদিও এখনও মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নির্ধারিত হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিসিটিভি ফুটেজে দু’জন মুখোশধারীকে বাসায় প্রবেশ করতে দেখা গেছে এবং ঘটনাস্থল থেকে কিছু প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ড ও ডাকাতি — উভয় দিকেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্টদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”
পরিবারের দাবি, আনোয়ার উল্লাহর মাথা এবং হাঁটুতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা তাকে আক্রমণের সময় শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাথি বা আঘাত লাগার কারণে হতে পারে। তাঁর জামাতা জানান, সকালে তিনি বাসায় গিয়ে আনোয়ার উল্লাহকে অচেতন অবস্থায় পান এবং দ্রুত নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে, যেখানে চিকিৎসকরা মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিরূপণ করবেন। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাঁর দাফন অনুষ্ঠান আজই সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আনোয়ার উল্লাহকে সমাজে শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসাবেই চিনতেছিল এবং তাঁর হঠাৎ মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করার জন্য তল্লাশি ও অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম রাজাবাজার এলাকায় গত সোমবার (১২ জানুয়ারী) দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার ভোরের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড‑স্তরের এক নেতা মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ (৬৫) এর মরদেহ তার নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি স্থানীয় রাজাবাজার ওয়ার্ড জামায়াতের সহ‑সভাপতি ও রুকন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং পেশায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন।
পুলিশ ও প্রতিবেশীদের কাছে প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, আনোয়ার উল্লাহর বাসায় দুর্বৃত্তরা রাতে প্রবেশ করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করেছে। পুলিশ তদন্ত অফিসার জানিয়েছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা তাকে জোরপূর্বক বেঁধে রেখে মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে শ্বাসরোধ করতে পারে, অথবা অত্যাধিক ভয়ের কারণে হৃদরোগে মৃত্যু ঘটতে পারে। যদিও এখনও মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নির্ধারিত হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিসিটিভি ফুটেজে দু’জন মুখোশধারীকে বাসায় প্রবেশ করতে দেখা গেছে এবং ঘটনাস্থল থেকে কিছু প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ড ও ডাকাতি — উভয় দিকেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্টদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”
পরিবারের দাবি, আনোয়ার উল্লাহর মাথা এবং হাঁটুতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা তাকে আক্রমণের সময় শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাথি বা আঘাত লাগার কারণে হতে পারে। তাঁর জামাতা জানান, সকালে তিনি বাসায় গিয়ে আনোয়ার উল্লাহকে অচেতন অবস্থায় পান এবং দ্রুত নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে, যেখানে চিকিৎসকরা মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিরূপণ করবেন। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাঁর দাফন অনুষ্ঠান আজই সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আনোয়ার উল্লাহকে সমাজে শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসাবেই চিনতেছিল এবং তাঁর হঠাৎ মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, যারা এই ঘটনায় জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করার জন্য তল্লাশি ও অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন