বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ মঙ্গলবার ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোকে তলব করেছে এবং সীমান্তের ওপারে থেকে ছোড়া গুলিতে একজন বাংলাদেশি শিশু আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। এই ঘটনাকে সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
গত ১১ জানুয়ারি রোববার সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল/টেচ্ছি ব্রিজ এলাকা ঘিরে ঘটে যাওয়া সীমান্ত পেরিয়ে ছোড়া গুলিতে বাংলাদেশি একা শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। আহত শিশুটির নাম হুজাইফা আফনান/আফনা, বয়স ৯ বছর, এবং ঘটনাকালীন সে সকালের নাশতা কিনতে যাবার পথে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। তাকে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে টেকনাফের স্থানীয় ক্লিনিকে নেওয়ার পর পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে সে বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এবং লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রদূতকে যোগ করা বেলা পূর্ণ আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই সত্ত্বেও অপ্ররোচিতভাবে সীমান্তে গুলি চালানো আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং প্রতিবেশী সম্পর্কের জন্য বাধা তৈরি করছে — এই বার্তা দিয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো ঘটনা যেন ভবিষ্যতে না হয়, সে জন্য মিয়ানমারের সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।
ঢাকা থেকে তলবের সময় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে তার সরকার এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পদক্ষেপ নেবে এবং আহত শিশুর ও তার পরিবারে প্রতি সহানুভূতি ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সীমান্তবর্তী কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকায় স্থানীয়রা ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি করেছে, পাশাপাশি টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধসহ প্রতিবাদ মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের মুখপাত্র বলেন, সীমান্তে যে কোনও ধরণের গোলাগুলি ও আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন, এবং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং সাধারণ জনগণের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষায় সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে।
ঘটনার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আহত শিশুর চিকিৎসার জন্য নগদ সহায়তা প্রদান করেছে। সীমান্ত পরিস্থিতি এবং সশস্ত্র সংঘাতের কারণে বাংলাদেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সরকারের পদক্ষেপ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ মঙ্গলবার ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোকে তলব করেছে এবং সীমান্তের ওপারে থেকে ছোড়া গুলিতে একজন বাংলাদেশি শিশু আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। এই ঘটনাকে সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
গত ১১ জানুয়ারি রোববার সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল/টেচ্ছি ব্রিজ এলাকা ঘিরে ঘটে যাওয়া সীমান্ত পেরিয়ে ছোড়া গুলিতে বাংলাদেশি একা শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। আহত শিশুটির নাম হুজাইফা আফনান/আফনা, বয়স ৯ বছর, এবং ঘটনাকালীন সে সকালের নাশতা কিনতে যাবার পথে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল। তাকে পরিবারের সদস্যরা প্রথমে টেকনাফের স্থানীয় ক্লিনিকে নেওয়ার পর পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে সে বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন এবং লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রদূতকে যোগ করা বেলা পূর্ণ আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই সত্ত্বেও অপ্ররোচিতভাবে সীমান্তে গুলি চালানো আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং প্রতিবেশী সম্পর্কের জন্য বাধা তৈরি করছে — এই বার্তা দিয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো ঘটনা যেন ভবিষ্যতে না হয়, সে জন্য মিয়ানমারের সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।
ঢাকা থেকে তলবের সময় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে তার সরকার এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পদক্ষেপ নেবে এবং আহত শিশুর ও তার পরিবারে প্রতি সহানুভূতি ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সীমান্তবর্তী কক্সবাজারের টেকনাফ এলাকায় স্থানীয়রা ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি করেছে, পাশাপাশি টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধসহ প্রতিবাদ মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের মুখপাত্র বলেন, সীমান্তে যে কোনও ধরণের গোলাগুলি ও আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন, এবং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং সাধারণ জনগণের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষায় সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে।
ঘটনার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আহত শিশুর চিকিৎসার জন্য নগদ সহায়তা প্রদান করেছে। সীমান্ত পরিস্থিতি এবং সশস্ত্র সংঘাতের কারণে বাংলাদেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সরকারের পদক্ষেপ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন