বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশে পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কয়েকদিন ধরে গ্যাস সরবরাহে বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, মেরামতকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর শনিবার থেকে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়েছে। তবে সরবরাহের চাপ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে।
তিতাস সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহে আমিনবাজার এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশে স্থাপিত গ্যাস পাইপলাইন একটি মালবাহী জাহাজের নোঙরের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে পাইপলাইনে লিকেজ তৈরি হলে গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। মেরামতকাজ চলাকালে পাইপলাইনের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
এই ঘটনায় গাবতলী, মোহাম্মদপুর, আসাদগেট, লালমাটিয়া, ধানমন্ডি ও আশপাশের এলাকায় গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। অনেক এলাকায় রান্নার চুলা জ্বালানো সম্ভব হয়নি। শীতকালে গ্যাসের চাহিদা বেশি থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। মেরামতকাজ শেষ হওয়ায় সরবরাহ ধীরে ধীরে বাড়ানো হচ্ছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে কিছু এলাকায় আগে চাপ কমিয়ে রাখা হয়েছিল, তবে এখন পর্যায়ক্রমে সব এলাকায় গ্যাসের প্রবাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশে পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কয়েকদিন ধরে গ্যাস সরবরাহে বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, মেরামতকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর শনিবার থেকে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়েছে। তবে সরবরাহের চাপ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগবে।
তিতাস সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহে আমিনবাজার এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশে স্থাপিত গ্যাস পাইপলাইন একটি মালবাহী জাহাজের নোঙরের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে পাইপলাইনে লিকেজ তৈরি হলে গ্যাস সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। মেরামতকাজ চলাকালে পাইপলাইনের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
এই ঘটনায় গাবতলী, মোহাম্মদপুর, আসাদগেট, লালমাটিয়া, ধানমন্ডি ও আশপাশের এলাকায় গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। অনেক এলাকায় রান্নার চুলা জ্বালানো সম্ভব হয়নি। শীতকালে গ্যাসের চাহিদা বেশি থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। মেরামতকাজ শেষ হওয়ায় সরবরাহ ধীরে ধীরে বাড়ানো হচ্ছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে কিছু এলাকায় আগে চাপ কমিয়ে রাখা হয়েছিল, তবে এখন পর্যায়ক্রমে সব এলাকায় গ্যাসের প্রবাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন