ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ঢাকায় গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ, কারণ কী


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬

ঢাকায় গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ, কারণ কী

রাজধানী ঢাকায় গত কয়েকদিন ধরে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় মারাত্মকভাবে কমে গেছে, ফলে গৃহস্থালি কাজ ও দৈনন্দিন জীবনে চরম অসুবিধায় পড়েছেন নগরবাসী। এ সংকট শীতে জ্বালানি চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে মিলিত হয়ে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বাড়িয়েছে।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আমিনবাজারে তুরাগ নদীর তলদেশে থাকা একটি প্রধান গ্যাস পাইপলাইন মালবাহী ট্রলারের নোঙরের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। মেরামতের কাজ চলছে বুধবার (৭ জানুয়ারি) থেকে, তবে রক্ষণাবেক্ষণের সময় পাইপলাইনে পানি ঢুকে যাওয়ার কারণে শহরের বিভিন্ন জায়গায় গ্যাসের চাপ অত্যন্ত কমে গেছে।

এটি শুধুই একবারের ঘটনা নয়; শীতের মরশুমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহও তুলনামূলক কম ছিল। এর ফলে সামগ্রিকভাবে ঢাকার গ্যাস চাপ সর্বনিম্নে নেমে গেছে এবং অনেক এলাকায় গ্যাস না থাকায় রান্না করা বা গৃহস্থালি কাজ চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

নগরীর বিভিন্ন স্থানে বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সকালে সামান্য সময়ের জন্য গ্যাস পাওয়া গেলেও দিনের পর পরিস্থিতি আবার খারাপ হয়ে যায়। উত্তরাখান‑দক্ষিণখান, গাবতলী‑আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, বসিলা, লালমাটিয়া ও ধানমন্ডি এলাকায় গ্যাসের চাপ প্রায় নেই বললেই চলে। অনেকেই রাইস কুকার বা বৈদ্যুতিক স্টোভ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কেউ কেউ বাইরে থেকে খাবার কিনছেন।

তিতাস কর্তৃপক্ষ তাদের বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য ক্ষমা প্রকাশ করেছে এবং বলেছে, মেরামতের কাজ পানি নিষ্কাশন ও নিরাপদভাবে সিলমোহর করে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জল বের করে দিয়ে এবং সরবরাহ পুনঃস্থাপন করা হলেও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে নগরবাসী ও ব্যবসায়ী দুই পক্ষেই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। রান্নাবান্না থেকে শিল্প খাতে গ্যাস‑নির্ভর উৎপাদন কার্যক্রম পর্যন্ত সব জায়গায় ভোগান্তি বেড়েছে এবং শীত মৌসুমে এই সংকট আরও কষ্টদায়ক করে তুলেছে। 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ঢাকায় গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ, কারণ কী

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

রাজধানী ঢাকায় গত কয়েকদিন ধরে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় মারাত্মকভাবে কমে গেছে, ফলে গৃহস্থালি কাজ ও দৈনন্দিন জীবনে চরম অসুবিধায় পড়েছেন নগরবাসী। এ সংকট শীতে জ্বালানি চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে মিলিত হয়ে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বাড়িয়েছে।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আমিনবাজারে তুরাগ নদীর তলদেশে থাকা একটি প্রধান গ্যাস পাইপলাইন মালবাহী ট্রলারের নোঙরের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। মেরামতের কাজ চলছে বুধবার (৭ জানুয়ারি) থেকে, তবে রক্ষণাবেক্ষণের সময় পাইপলাইনে পানি ঢুকে যাওয়ার কারণে শহরের বিভিন্ন জায়গায় গ্যাসের চাপ অত্যন্ত কমে গেছে।

এটি শুধুই একবারের ঘটনা নয়; শীতের মরশুমে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহও তুলনামূলক কম ছিল। এর ফলে সামগ্রিকভাবে ঢাকার গ্যাস চাপ সর্বনিম্নে নেমে গেছে এবং অনেক এলাকায় গ্যাস না থাকায় রান্না করা বা গৃহস্থালি কাজ চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

নগরীর বিভিন্ন স্থানে বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সকালে সামান্য সময়ের জন্য গ্যাস পাওয়া গেলেও দিনের পর পরিস্থিতি আবার খারাপ হয়ে যায়। উত্তরাখান‑দক্ষিণখান, গাবতলী‑আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, বসিলা, লালমাটিয়া ও ধানমন্ডি এলাকায় গ্যাসের চাপ প্রায় নেই বললেই চলে। অনেকেই রাইস কুকার বা বৈদ্যুতিক স্টোভ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কেউ কেউ বাইরে থেকে খাবার কিনছেন।

তিতাস কর্তৃপক্ষ তাদের বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য ক্ষমা প্রকাশ করেছে এবং বলেছে, মেরামতের কাজ পানি নিষ্কাশন ও নিরাপদভাবে সিলমোহর করে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জল বের করে দিয়ে এবং সরবরাহ পুনঃস্থাপন করা হলেও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যেতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে নগরবাসী ও ব্যবসায়ী দুই পক্ষেই ক্ষতির মুখে পড়েছেন। রান্নাবান্না থেকে শিল্প খাতে গ্যাস‑নির্ভর উৎপাদন কার্যক্রম পর্যন্ত সব জায়গায় ভোগান্তি বেড়েছে এবং শীত মৌসুমে এই সংকট আরও কষ্টদায়ক করে তুলেছে। 


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ