দেশে এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট ও মূল্য অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-কে একটি অফিসিয়াল চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে এলপি গ্যাস আমদানি এবং স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভ্যাট, আগাম কর এবং অন্যান্য ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের ওপর চাপ কমানো।
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৯৮ শতাংশ এলপি গ্যাস আমদানির মাধ্যমে আসে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যের ওঠানামা এবং বিদ্যমান ট্যাক্স কাঠামোর কারণে দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করছে। এর ফলে ভোক্তাদের দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব পড়ছে।
চিঠিতে সরকার আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশের নিচে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় উৎপাদন, দোকানদারি ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে ধার্য ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আগাম কর পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বাজারে দাম কমে আসবে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে চাপ হ্রাস পাবে।
শুধু ট্যাক্স সংস্কার নয়, সরকার ব্যাংক ঋণ ও এলসি (ক্রেডিট লেটার) খোলার প্রক্রিয়া সহজ করার পরিকল্পনাও করছে। এতে ব্যবসায়ীরা দ্রুত আমদানির মাধ্যমে সরবরাহ বাড়াতে পারবে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে।
এলপি গ্যাস খাতের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো, বিশেষ করে LPG অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (LOAB), সরকারকে চিঠি দিয়ে পরিবর্তনের পক্ষে মত দিয়েছে। তারা বলেছে যে উৎপাদন পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর ব্যবসায়ীদের তহবিল প্রবাহে সমস্যা তৈরি করছে। তারা মনে করে, আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট নেওয়া হলে রাজস্ব সংগ্রহ আরও স্বচ্ছ ও টেকসই হবে।
এনবিআর সূত্র জানিয়েছে, তারা ভ্যাট‑ট্যাক্স কাঠামো পরিবর্তনের প্রস্তাবে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। তারা একমাত্র আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাট ধার্য করার সম্ভাব্য পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়িত হলে সরকারের পক্ষ থেকে একটি গেজেট নোটিফিকেশন জারি করা হতে পারে।
ভ্যাট‑ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের প্রভাব ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য ইতিবাচক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভ্যাট কমলে বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে, এবং এক পর্যায়ে রাজস্ব সংগ্রহে স্বচ্ছতা আসবে। সরকার, এনবিআর এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে আলোচনার পরবর্তী ধাপগুলো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
দেশে এলপি গ্যাসের সরবরাহ সংকট ও মূল্য অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-কে একটি অফিসিয়াল চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে এলপি গ্যাস আমদানি এবং স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভ্যাট, আগাম কর এবং অন্যান্য ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের ওপর চাপ কমানো।
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৯৮ শতাংশ এলপি গ্যাস আমদানির মাধ্যমে আসে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যের ওঠানামা এবং বিদ্যমান ট্যাক্স কাঠামোর কারণে দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করছে। এর ফলে ভোক্তাদের দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব পড়ছে।
চিঠিতে সরকার আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশের নিচে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় উৎপাদন, দোকানদারি ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে ধার্য ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আগাম কর পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বাজারে দাম কমে আসবে এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমে চাপ হ্রাস পাবে।
শুধু ট্যাক্স সংস্কার নয়, সরকার ব্যাংক ঋণ ও এলসি (ক্রেডিট লেটার) খোলার প্রক্রিয়া সহজ করার পরিকল্পনাও করছে। এতে ব্যবসায়ীরা দ্রুত আমদানির মাধ্যমে সরবরাহ বাড়াতে পারবে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে।
এলপি গ্যাস খাতের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো, বিশেষ করে LPG অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (LOAB), সরকারকে চিঠি দিয়ে পরিবর্তনের পক্ষে মত দিয়েছে। তারা বলেছে যে উৎপাদন পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর ব্যবসায়ীদের তহবিল প্রবাহে সমস্যা তৈরি করছে। তারা মনে করে, আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট নেওয়া হলে রাজস্ব সংগ্রহ আরও স্বচ্ছ ও টেকসই হবে।
এনবিআর সূত্র জানিয়েছে, তারা ভ্যাট‑ট্যাক্স কাঠামো পরিবর্তনের প্রস্তাবে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। তারা একমাত্র আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাট ধার্য করার সম্ভাব্য পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। পরিবর্তনগুলো বাস্তবায়িত হলে সরকারের পক্ষ থেকে একটি গেজেট নোটিফিকেশন জারি করা হতে পারে।
ভ্যাট‑ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের প্রভাব ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য ইতিবাচক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভ্যাট কমলে বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে, এবং এক পর্যায়ে রাজস্ব সংগ্রহে স্বচ্ছতা আসবে। সরকার, এনবিআর এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে আলোচনার পরবর্তী ধাপগুলো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

আপনার মতামত লিখুন