জাতীয় নির্বাচনে মার্কায় ভোট দেওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্র সংস্কারে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল হক নুর। বুধবার (৭ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।
ফেসবুক পোস্টে নুরুল হক নুর বলেন, জাতীয় নির্বাচনে মার্কায় ভোটের পাশাপাশি রাষ্ট্র সংস্কারে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে হবে। তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনার জন্ম দেয়।
নুরের এ আহ্বানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সমর্থকদের অনেকেই এটিকে সময়োপযোগী ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে গণভোটের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত প্রকাশ করেন।
তবে ভিন্নমত পোষণকারী কিছু নেটিজেন গণভোটের বাস্তবতা ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ কেউ বিষয়টিকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেও দেখছেন। সব মিলিয়ে নুরুল হক নুরের এই আহ্বান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
সোহাগ নামের এক ব্যক্তি তার পোস্টের মন্তব্য ঘরে লেখেন, হিংসা নয়, একে অপরের হাত ধরে এগোলে সাফল্য আরও সুন্দরভাবে ধরা দেয়। একতাই শক্তি।
আরিয়ান নাসির নামের একজন মন্তব্য করেন, একসময় আইকন হিসেবে দেখা নূর ভাই মাঝপথে হারিয়ে গেলেও এই সিদ্ধান্তের জন্য স্যালুট। আপনারা হারিয়ে গেলে এই অভাগা দেশ দেখবে কে—এই প্রশ্ন থেকেই যায়।
জুবায়ের আলম নামের আরেকজন মন্তব্যে বলেন, গণভোটেরও মার্কা দিতে হবে, না হলে গ্রামের গরিব মানুষ বুঝতে পারবে না কোনটা হ্যাঁ, কোনটা না। যারা লেখাপড়া জানে না, তারা কীভাবে বুঝবে—এই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এ দেশ এভাবেই চলবে না। দেশের পরিবর্তন ঘটাতে হলে জাতির স্বার্থে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতেই হবে, নইলে আমরা যেখানে আছি সেখানেই অনন্তকাল দাঁড়িয়ে থাকব।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
জাতীয় নির্বাচনে মার্কায় ভোট দেওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্র সংস্কারে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল হক নুর। বুধবার (৭ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।
ফেসবুক পোস্টে নুরুল হক নুর বলেন, জাতীয় নির্বাচনে মার্কায় ভোটের পাশাপাশি রাষ্ট্র সংস্কারে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে হবে। তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনার জন্ম দেয়।
নুরের এ আহ্বানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সমর্থকদের অনেকেই এটিকে সময়োপযোগী ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তারা রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে গণভোটের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে একমত প্রকাশ করেন।
তবে ভিন্নমত পোষণকারী কিছু নেটিজেন গণভোটের বাস্তবতা ও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ কেউ বিষয়টিকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেও দেখছেন। সব মিলিয়ে নুরুল হক নুরের এই আহ্বান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
সোহাগ নামের এক ব্যক্তি তার পোস্টের মন্তব্য ঘরে লেখেন, হিংসা নয়, একে অপরের হাত ধরে এগোলে সাফল্য আরও সুন্দরভাবে ধরা দেয়। একতাই শক্তি।
আরিয়ান নাসির নামের একজন মন্তব্য করেন, একসময় আইকন হিসেবে দেখা নূর ভাই মাঝপথে হারিয়ে গেলেও এই সিদ্ধান্তের জন্য স্যালুট। আপনারা হারিয়ে গেলে এই অভাগা দেশ দেখবে কে—এই প্রশ্ন থেকেই যায়।
জুবায়ের আলম নামের আরেকজন মন্তব্যে বলেন, গণভোটেরও মার্কা দিতে হবে, না হলে গ্রামের গরিব মানুষ বুঝতে পারবে না কোনটা হ্যাঁ, কোনটা না। যারা লেখাপড়া জানে না, তারা কীভাবে বুঝবে—এই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এ দেশ এভাবেই চলবে না। দেশের পরিবর্তন ঘটাতে হলে জাতির স্বার্থে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতেই হবে, নইলে আমরা যেখানে আছি সেখানেই অনন্তকাল দাঁড়িয়ে থাকব।

আপনার মতামত লিখুন