দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জেলায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আশরাফুল আলমকে ঘুষ গ্রহণের সময় হাতেনাতে আটক করেছে। কর্মকর্তা স্থানীয় কার্যালয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় ধরা পড়ে এবং তা উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ঘটে। অভিযোগ থেকে জানা যায়, কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পেনশন ও বেতন সমন্বয়ের নথি নিষ্পত্তির জন্য দীর্ঘ দিন ফাইল আটকে রেখে ঘুষ দাবি করার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগকারীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক বিষয়টি যাচাই করে সত্যতা পায় এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়।
দুদক টিম নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে অভিযোগকারী শিক্ষককে ঘুষের নির্ধারিত টাকা প্রদান করতে নির্দেশ দেয়। অভিযোগকারীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সময় অফিসারের টেবিলের ড্রয়ার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয় এবং তা জব্দ করা হয়। একই সময় অফিসারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ জানান, নিরপেক্ষ সাক্ষীদের সামনে ঘুষের টাকা বাজেয়াপ্ত ও আইনানুগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। তাঁর বরাতে জানা যায়, টাকাসহ সাক্ষীদের বক্তব্য গ্রহণ ও অন্যান্য কার্যক্রম শেষে অভিযান পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পেনশন ফাইল ছাড়তে দীর্ঘদিন ধরে অফিসার নথি আটকে রেখেছেন এবং বদলি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ থাকায়, দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক এই অভিযান পরিচালনা করেছে। মামলা দায়েরের মাধ্যমে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ায় পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।
এই ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে হাতেনাতে অভিযান চালিয়ে সরকারি সেবা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে দুদক ইতোমধ্যে সতর্কবার্তা দিয়েছে। একই সাথে দুর্নীতির মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ভবিষ্যতে আরও কঠোর উদ্যোগ নেওয়ার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতামত নেওয়া হচ্ছে।
যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আশরাফুল আলম পেনশন ও বেতন সমন্বয়ের নথি ছাড়তে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় দুদকের হাতে ধরা পড়েছেন এবং তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত ও মামলা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জেলায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আশরাফুল আলমকে ঘুষ গ্রহণের সময় হাতেনাতে আটক করেছে। কর্মকর্তা স্থানীয় কার্যালয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের সময় ধরা পড়ে এবং তা উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ঘটে। অভিযোগ থেকে জানা যায়, কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পেনশন ও বেতন সমন্বয়ের নথি নিষ্পত্তির জন্য দীর্ঘ দিন ফাইল আটকে রেখে ঘুষ দাবি করার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগকারীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক বিষয়টি যাচাই করে সত্যতা পায় এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়।
দুদক টিম নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে অভিযোগকারী শিক্ষককে ঘুষের নির্ধারিত টাকা প্রদান করতে নির্দেশ দেয়। অভিযোগকারীর কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সময় অফিসারের টেবিলের ড্রয়ার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয় এবং তা জব্দ করা হয়। একই সময় অফিসারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ জানান, নিরপেক্ষ সাক্ষীদের সামনে ঘুষের টাকা বাজেয়াপ্ত ও আইনানুগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। তাঁর বরাতে জানা যায়, টাকাসহ সাক্ষীদের বক্তব্য গ্রহণ ও অন্যান্য কার্যক্রম শেষে অভিযান পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পেনশন ফাইল ছাড়তে দীর্ঘদিন ধরে অফিসার নথি আটকে রেখেছেন এবং বদলি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ থাকায়, দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক এই অভিযান পরিচালনা করেছে। মামলা দায়েরের মাধ্যমে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ায় পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।
এই ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে হাতেনাতে অভিযান চালিয়ে সরকারি সেবা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে দুদক ইতোমধ্যে সতর্কবার্তা দিয়েছে। একই সাথে দুর্নীতির মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ভবিষ্যতে আরও কঠোর উদ্যোগ নেওয়ার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতামত নেওয়া হচ্ছে।
যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আশরাফুল আলম পেনশন ও বেতন সমন্বয়ের নথি ছাড়তে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় দুদকের হাতে ধরা পড়েছেন এবং তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত ও মামলা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন