ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

যন্ত্রাংশ বদলে নির্বাচনী ট্রেনকে গতি ফেরানোর চেষ্টা ইসির


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

     যন্ত্রাংশ বদলে নির্বাচনী ট্রেনকে গতি ফেরানোর চেষ্টা ইসির

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নতুন করে সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে ইসি কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ নির্বাচন ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থাকে একটি রূপকের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, দেশের নির্বাচন এখন অনেকটা “লাইনচ্যুত ট্রেন”-এর মতো, যাকে পুনরায় সচল করতে হলে “ন্যূনতম মেরামত ও যন্ত্রাংশ বদল” জরুরি।

বুধবার (৭ জানুয়ারী) আগারগাঁওয়ের এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে ৮১টি সংগঠনের অংশগ্রহণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। কমিশনার জানান, নির্বাচনকে সঠিক পথে ফেরাতে প্রযুক্তিগত ঘাটতি দূর করা, প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং ভোট পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম উন্নত করাই এখন ইসির অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, “নির্বাচনের ট্রেনটাকে লাইনে ফেরাতে কিছু যন্ত্রাংশ বদলে গতি আনার চেষ্টা চলছে।”

ইসি কমিশনার পর্যবেক্ষকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকরাই ইসির “তৃতীয় নয়ন”। তাদের ওপর নির্ভর করেই নির্বাচন কতটা মানসম্মত হচ্ছে তা নির্ধারিত হয়। এ কারণে পর্যবেক্ষণ যেন আরও শক্তিশালী, নিরপেক্ষ ও নিয়মমানা হয়—তা নিশ্চিত করতে ইসি বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সব প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়, পর্যবেক্ষক অনুমোদন এবং মাঠপর্যায়ের প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি—সবকিছুই দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে।

ইসির ব্যবহৃত “ট্রেন” রূপক নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কমিশনের এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কাঠামোগত কিছু দুর্বলতা আছে, যা সংস্কারে তারা এখন তৎপর। অন্যদিকে পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা শক্তিশালী করার ঘোষণাকে অনেকেই আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নির্বাচন আয়োজনের ইসির প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন।

নির্বাচন কমিশন বলছে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনই তাদের প্রধান লক্ষ্য

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


যন্ত্রাংশ বদলে নির্বাচনী ট্রেনকে গতি ফেরানোর চেষ্টা ইসির

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নতুন করে সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে ইসি কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ নির্বাচন ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থাকে একটি রূপকের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, দেশের নির্বাচন এখন অনেকটা “লাইনচ্যুত ট্রেন”-এর মতো, যাকে পুনরায় সচল করতে হলে “ন্যূনতম মেরামত ও যন্ত্রাংশ বদল” জরুরি।

বুধবার (৭ জানুয়ারী) আগারগাঁওয়ের এনজিও ব্যুরো কার্যালয়ে ৮১টি সংগঠনের অংশগ্রহণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। কমিশনার জানান, নির্বাচনকে সঠিক পথে ফেরাতে প্রযুক্তিগত ঘাটতি দূর করা, প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং ভোট পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম উন্নত করাই এখন ইসির অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, “নির্বাচনের ট্রেনটাকে লাইনে ফেরাতে কিছু যন্ত্রাংশ বদলে গতি আনার চেষ্টা চলছে।”

ইসি কমিশনার পর্যবেক্ষকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকরাই ইসির “তৃতীয় নয়ন”। তাদের ওপর নির্ভর করেই নির্বাচন কতটা মানসম্মত হচ্ছে তা নির্ধারিত হয়। এ কারণে পর্যবেক্ষণ যেন আরও শক্তিশালী, নিরপেক্ষ ও নিয়মমানা হয়—তা নিশ্চিত করতে ইসি বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সব প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়, পর্যবেক্ষক অনুমোদন এবং মাঠপর্যায়ের প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি—সবকিছুই দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে।

ইসির ব্যবহৃত “ট্রেন” রূপক নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কমিশনের এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কাঠামোগত কিছু দুর্বলতা আছে, যা সংস্কারে তারা এখন তৎপর। অন্যদিকে পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা শক্তিশালী করার ঘোষণাকে অনেকেই আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নির্বাচন আয়োজনের ইসির প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন।

নির্বাচন কমিশন বলছে, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনই তাদের প্রধান লক্ষ্য


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ