অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও পদ্ধতিগত শর্ত পূরণ না হওয়ায় এই সময়ে টার্মিনালটি চালু করা যাচ্ছে না।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালুর বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও পদ্ধতিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
সংবাদ সম্মেলনে শেখ বশিরউদ্দীন জানান, জনশক্তি কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) কার্ডধারী যাত্রীরা এখন থেকে গন্তব্য দেশ ছাড়া অন্য কোনো দেশে টিকিট কাটতে পারবেন না। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে টিকিট কাটার ক্ষেত্রেও বিএমইটির কার্ডধারীদের আর সুযোগ থাকবে না। তবে অন্যান্য যাত্রীদের জন্য টিকিট বুকিং সিস্টেম উন্মুক্ত থাকবে। এর মূল উদ্দেশ্য মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের সঙ্গে হওয়া প্রতারণা বন্ধ করা।
তিনি আরও বলেন, ২০১৭ সালের আইনটি ছিল সীমিত পরিসরের। নতুন ব্যবস্থায় এয়ার অপারেটর, জিডিএস, এনডিসি ও ট্রাভেল এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে যুক্ত করে জবাবদিহিমূলক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। দুর্বৃত্তচক্রের সিন্ডিকেশন ভাঙতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ সহজে প্রতারণা করতে না পারে। মন্ত্রণালয় দিন-রাত কাজ করছে এবং এ বিষয়ে অংশীজন ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়মিত পরামর্শ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
বিমান উপদেষ্টা বলেন, বিমানযাত্রীদের হয়রানি কমানো এবং টিকিট বুকিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি অধ্যাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। এটি নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, বরং একটি চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ। ইতোমধ্যে বিধি প্রণয়ন সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই তা প্রকাশ ও বাস্তবায়ন শুরু হবে।
তিনি আরও জানান, বিমান সংস্থাগুলোর টিকিট বিক্রির ওপর নজরদারি ও মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হয়েছে। ভুয়া বুকিং শনাক্তে ডিজিটাল অ্যালগরিদমের পাশাপাশি ম্যানুয়াল যাচাইও করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে ২২ লাখ যাত্রী পরিবহন করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য যাত্রীদের প্রতারণা থেকে রক্ষা করা এবং টিকিট বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও পদ্ধতিগত শর্ত পূরণ না হওয়ায় এই সময়ে টার্মিনালটি চালু করা যাচ্ছে না।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালুর বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও পদ্ধতিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সরকার এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
সংবাদ সম্মেলনে শেখ বশিরউদ্দীন জানান, জনশক্তি কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) কার্ডধারী যাত্রীরা এখন থেকে গন্তব্য দেশ ছাড়া অন্য কোনো দেশে টিকিট কাটতে পারবেন না। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে টিকিট কাটার ক্ষেত্রেও বিএমইটির কার্ডধারীদের আর সুযোগ থাকবে না। তবে অন্যান্য যাত্রীদের জন্য টিকিট বুকিং সিস্টেম উন্মুক্ত থাকবে। এর মূল উদ্দেশ্য মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের সঙ্গে হওয়া প্রতারণা বন্ধ করা।
তিনি আরও বলেন, ২০১৭ সালের আইনটি ছিল সীমিত পরিসরের। নতুন ব্যবস্থায় এয়ার অপারেটর, জিডিএস, এনডিসি ও ট্রাভেল এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে যুক্ত করে জবাবদিহিমূলক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। দুর্বৃত্তচক্রের সিন্ডিকেশন ভাঙতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ সহজে প্রতারণা করতে না পারে। মন্ত্রণালয় দিন-রাত কাজ করছে এবং এ বিষয়ে অংশীজন ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়মিত পরামর্শ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
বিমান উপদেষ্টা বলেন, বিমানযাত্রীদের হয়রানি কমানো এবং টিকিট বুকিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি অধ্যাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। এটি নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, বরং একটি চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ। ইতোমধ্যে বিধি প্রণয়ন সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই তা প্রকাশ ও বাস্তবায়ন শুরু হবে।
তিনি আরও জানান, বিমান সংস্থাগুলোর টিকিট বিক্রির ওপর নজরদারি ও মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হয়েছে। ভুয়া বুকিং শনাক্তে ডিজিটাল অ্যালগরিদমের পাশাপাশি ম্যানুয়াল যাচাইও করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটে ২২ লাখ যাত্রী পরিবহন করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য যাত্রীদের প্রতারণা থেকে রক্ষা করা এবং টিকিট বাজারে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা।

আপনার মতামত লিখুন