আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটের বিষয়ে জনগণকে ধারণা দিতে সরকার নগর ও শহরাঞ্চলের জনবহুল স্থানে ডিজিটাল ও ম্যানুয়াল বিলবোর্ড স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারের নির্দেশনায় ইতোমধ্যেই বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় গণভোটের বিষয়বস্তু প্রচারণা শুরু হয়েছে। এই প্রচারণায় তথ্যচিত্র প্রদর্শন, উঠান বৈঠক, ভোট আলাপ ও সভা সমাবেশসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া নির্বাচনের জন্য তৈরি ভিডিও কন্টেন্টও সম্প্রচার করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা অংশ নেন, বাকিরা অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন। সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, “ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ গুরুত্বপূর্ণ মহানগরীর প্রবেশপথ ও জনবহুল স্থানে ডিজিটাল ও স্থির বিলবোর্ডের মাধ্যমে গণভোটের বিষয়বস্তু প্রচার করতে হবে। এছাড়া মসজিদের ইমাম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে ভোটারদের নিকট গণভোট সম্পর্কিত তথ্য পৌঁছে দিতে হবে।”
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আগামী ৭ দিনের মধ্যে বিলবোর্ডের মাধ্যমে গণভোটের লোগো, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রকাশিত ব্যালট এবং অন্যান্য প্রচার উপকরণ জনবহুল স্থানে সর্বাধিকভাবে প্রদর্শন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি প্রচারণার এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গণভোটের বিষয়বস্তুর ব্যাপক প্রচার নিশ্চিত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটের বিষয়ে জনগণকে ধারণা দিতে সরকার নগর ও শহরাঞ্চলের জনবহুল স্থানে ডিজিটাল ও ম্যানুয়াল বিলবোর্ড স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারের নির্দেশনায় ইতোমধ্যেই বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় গণভোটের বিষয়বস্তু প্রচারণা শুরু হয়েছে। এই প্রচারণায় তথ্যচিত্র প্রদর্শন, উঠান বৈঠক, ভোট আলাপ ও সভা সমাবেশসহ বিভিন্ন কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া নির্বাচনের জন্য তৈরি ভিডিও কন্টেন্টও সম্প্রচার করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা অংশ নেন, বাকিরা অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন। সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, “ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ গুরুত্বপূর্ণ মহানগরীর প্রবেশপথ ও জনবহুল স্থানে ডিজিটাল ও স্থির বিলবোর্ডের মাধ্যমে গণভোটের বিষয়বস্তু প্রচার করতে হবে। এছাড়া মসজিদের ইমাম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে ভোটারদের নিকট গণভোট সম্পর্কিত তথ্য পৌঁছে দিতে হবে।”
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আগামী ৭ দিনের মধ্যে বিলবোর্ডের মাধ্যমে গণভোটের লোগো, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রকাশিত ব্যালট এবং অন্যান্য প্রচার উপকরণ জনবহুল স্থানে সর্বাধিকভাবে প্রদর্শন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি প্রচারণার এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গণভোটের বিষয়বস্তুর ব্যাপক প্রচার নিশ্চিত করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন