সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীগুলোর এক, যমুনা গ্রুপ গভীর শোক প্রকাশ করেছে। গ্রুপটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক দীর্ঘ শোকবার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যে একজন সুবিবেচক, জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী নেত্রীকে হারালো, তা জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশব্যাপী নেমে আসা শোকের আবহে যমুনা গ্রুপ নিজেদের অবস্থান থেকে তার কর্ম, আদর্শ ও রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।
শোকবার্তায় যমুনা গ্রুপ উল্লেখ করেছে, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির ইতিহাসে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে গৃহবধূ থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিক হয়ে ওঠার তার যাত্রা নিজেই একটি অনন্য অধ্যায়। তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে দেশের নারী নেতৃত্বের জন্য এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছিলেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকারের আন্দোলন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, কারাবাস, মামলার চাপ এবং দীর্ঘ শারীরিক দুরবস্থার মধ্যেও তিনি গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার নিয়ে আপসহীন অবস্থানে ছিলেন—যা তাকে গণমানুষের কাছে বিশেষ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।
যমুনা গ্রুপ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে আরও বলেছে, তার প্রয়াণ জাতির জন্য এক গভীর আঘাত। যে দৃঢ়তা, সাহস এবং অদম্য মনোবল নিয়ে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা বহু বছর ধরে এ দেশের মানুষ স্মরণ করবে। তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, সিদ্ধান্তগ্রহণের দক্ষতা ও বিশেষ নেতৃত্বের ক্ষমতা দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছিল। তার না থাকা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে এক নতুন শূন্যতার সৃষ্টি করবে, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
শোকবার্তায় জিয়া পরিবারের প্রতিও গভীর সমবেদনা জানানো হয়। তার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর পরিবার, বোন, নিকটাত্মীয় এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উদ্দেশে যমুনা গ্রুপ আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করে। তারা উল্লেখ করে—একজন মায়ের মৃত্যু যেমন পরিবারের জন্য গভীর বেদনার, তেমনি একজন জাতীয় নেত্রীর প্রয়াণ গোটা জাতির জন্যও গভীর শোকের।
দেশব্যাপী রাষ্ট্রীয়ভাবে তিন দিনের শোক পালন শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, পেশাজীবী সংগঠন, কর্পোরেট গ্রুপসহ সাধারণ মানুষ তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। রাজধানীসহ সারা দেশে শোকমিছিল, আলোচনাসভা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সামগ্রিক শোকপরিবেশে যমুনা গ্রুপের শোকবার্তা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া হিসেবে জাতীয়ভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে।
শোকবার্তার শেষ অংশে যমুনা গ্রুপ জানায়, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতি, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক অনন্য অবদান রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা কখনও পূরণ হওয়ার নয়। তিনি দেশের ইতিহাসে এক অমলিন ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্মরণীয় থাকবেন এবং তার রাজনৈতিক আদর্শ ও সংগ্রাম ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠীগুলোর এক, যমুনা গ্রুপ গভীর শোক প্রকাশ করেছে। গ্রুপটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক দীর্ঘ শোকবার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ যে একজন সুবিবেচক, জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী নেত্রীকে হারালো, তা জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশব্যাপী নেমে আসা শোকের আবহে যমুনা গ্রুপ নিজেদের অবস্থান থেকে তার কর্ম, আদর্শ ও রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।
শোকবার্তায় যমুনা গ্রুপ উল্লেখ করেছে, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির ইতিহাসে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে গৃহবধূ থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিক হয়ে ওঠার তার যাত্রা নিজেই একটি অনন্য অধ্যায়। তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে দেশের নারী নেতৃত্বের জন্য এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছিলেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকারের আন্দোলন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, কারাবাস, মামলার চাপ এবং দীর্ঘ শারীরিক দুরবস্থার মধ্যেও তিনি গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার নিয়ে আপসহীন অবস্থানে ছিলেন—যা তাকে গণমানুষের কাছে বিশেষ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।
যমুনা গ্রুপ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে আরও বলেছে, তার প্রয়াণ জাতির জন্য এক গভীর আঘাত। যে দৃঢ়তা, সাহস এবং অদম্য মনোবল নিয়ে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা বহু বছর ধরে এ দেশের মানুষ স্মরণ করবে। তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, সিদ্ধান্তগ্রহণের দক্ষতা ও বিশেষ নেতৃত্বের ক্ষমতা দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছিল। তার না থাকা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে এক নতুন শূন্যতার সৃষ্টি করবে, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
শোকবার্তায় জিয়া পরিবারের প্রতিও গভীর সমবেদনা জানানো হয়। তার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর পরিবার, বোন, নিকটাত্মীয় এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উদ্দেশে যমুনা গ্রুপ আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করে। তারা উল্লেখ করে—একজন মায়ের মৃত্যু যেমন পরিবারের জন্য গভীর বেদনার, তেমনি একজন জাতীয় নেত্রীর প্রয়াণ গোটা জাতির জন্যও গভীর শোকের।
দেশব্যাপী রাষ্ট্রীয়ভাবে তিন দিনের শোক পালন শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, পেশাজীবী সংগঠন, কর্পোরেট গ্রুপসহ সাধারণ মানুষ তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে। সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। রাজধানীসহ সারা দেশে শোকমিছিল, আলোচনাসভা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সামগ্রিক শোকপরিবেশে যমুনা গ্রুপের শোকবার্তা আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া হিসেবে জাতীয়ভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে।
শোকবার্তার শেষ অংশে যমুনা গ্রুপ জানায়, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতি, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক অনন্য অবদান রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা কখনও পূরণ হওয়ার নয়। তিনি দেশের ইতিহাসে এক অমলিন ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্মরণীয় থাকবেন এবং তার রাজনৈতিক আদর্শ ও সংগ্রাম ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে।

আপনার মতামত লিখুন