সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা শেষে লাখো মানুষ হেঁটেই নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরতে শুরু করেছেন। প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজধানীতে জড়ো হন। বিকেল ৩টার পর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ পাশে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত জানাজা শেষে যানবাহন সংকট ও সড়ক বন্ধ থাকায় অধিকাংশ মানুষকে পায়ে হেঁটেই ফিরতে দেখা যায়।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত এই নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানীতে জনসমুদ্রের সৃষ্টি হয়। জানাজার স্থান জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নির্ধারণ করা হলেও মানুষের ঢল ছড়িয়ে পড়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, ফার্মগেট, শাহবাগ, খামারবাড়ি ও বিজয় সরণি পর্যন্ত।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে ফার্মগেট হয়ে প্রায় শাহবাগ মোড় পর্যন্ত মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। অন্যদিকে খামারবাড়ি হয়ে বিজয় সরণি পর্যন্তও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। জানাজা শেষে শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় যানবাহন না থাকায় অনেকেই হেঁটেই নিজ নিজ কর্মস্থল ও গন্তব্যের দিকে রওনা দেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিতে জানাজাস্থল যেন এক বিশাল জনসমাবেশে পরিণত হয়। ভোর থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে শোকার্ত মানুষের ঢল নামে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের চোখেমুখে প্রিয় নেত্রীকে হারানোর গভীর বেদনা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা শেষে লাখো মানুষ হেঁটেই নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরতে শুরু করেছেন। প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজধানীতে জড়ো হন। বিকেল ৩টার পর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ পাশে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত জানাজা শেষে যানবাহন সংকট ও সড়ক বন্ধ থাকায় অধিকাংশ মানুষকে পায়ে হেঁটেই ফিরতে দেখা যায়।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত এই নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানীতে জনসমুদ্রের সৃষ্টি হয়। জানাজার স্থান জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নির্ধারণ করা হলেও মানুষের ঢল ছড়িয়ে পড়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, ফার্মগেট, শাহবাগ, খামারবাড়ি ও বিজয় সরণি পর্যন্ত।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে ফার্মগেট হয়ে প্রায় শাহবাগ মোড় পর্যন্ত মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। অন্যদিকে খামারবাড়ি হয়ে বিজয় সরণি পর্যন্তও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। জানাজা শেষে শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় যানবাহন না থাকায় অনেকেই হেঁটেই নিজ নিজ কর্মস্থল ও গন্তব্যের দিকে রওনা দেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ফ্যাসিবাদ ও ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিতে জানাজাস্থল যেন এক বিশাল জনসমাবেশে পরিণত হয়। ভোর থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে শোকার্ত মানুষের ঢল নামে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের চোখেমুখে প্রিয় নেত্রীকে হারানোর গভীর বেদনা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

আপনার মতামত লিখুন