বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশের অংশ হিসেবে ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনে আজ সকাল থেকে যুক্তরাজ্যের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। খবরটি ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক শোক বার্তায় নিশ্চিত করা হয়েছে।
হাইকমিশন জানায়, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তারা গভীরভাবে শোকাহত এবং এই কঠিন সময়ে তাদের ভাবনা ও সহমর্মিতা তার পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মঞ্চে এটি প্রয়াত নেতা ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মানের একটি প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সরকার ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে গেজেট প্রকাশ করে আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। ঘোষণা অনুযায়ী শোক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সারাদেশের সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলিতেও পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
শোক ঘোষণা অনুষ্ঠানে দেশের উপদেষ্টা পরিষদ নেতা প্রফেসর মুহম্মদ ইউনুস টেলিভিশনের মাধ্যমে জাতিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা অত্যন্ত দুঃখিত এবং এই শোকের সময়ে সকলকে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অনুরোধ জানাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “দুঃখ এই যে আমরা এমন একজন রাজনীতিককে হারালাম, যিনি দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।”
৩১ ডিসেম্বর, বুধবার দুপুর ৩ টা ৫ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তার জানাজা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিতকরণ অনুষ্ঠানেও বিরাট জনসমাগম লক্ষ্য করা গেছে।
খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার ভোরে ইন্তেকাল করেন, বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। দীর্ঘ অসুস্থতায় তিনি ঢাকার এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার মৃত্যু সংবাদ প্রকাশ পেলে দেশজুড়ে শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও আন্তর্জাতিক মহল থেকে সমবেদনা জানানো হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, ব্রিটিশ হাইকমিশনের পতাকা অর্ধনমিত রাখার সিদ্ধান্ত কূটনৈতিক মর্যাদার পাশাপাশি বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার ভূমিকার ওপরও একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশের অংশ হিসেবে ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনে আজ সকাল থেকে যুক্তরাজ্যের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। খবরটি ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক শোক বার্তায় নিশ্চিত করা হয়েছে।
হাইকমিশন জানায়, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তারা গভীরভাবে শোকাহত এবং এই কঠিন সময়ে তাদের ভাবনা ও সহমর্মিতা তার পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মঞ্চে এটি প্রয়াত নেতা ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মানের একটি প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সরকার ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে গেজেট প্রকাশ করে আগামী ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। ঘোষণা অনুযায়ী শোক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সারাদেশের সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলিতেও পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।
শোক ঘোষণা অনুষ্ঠানে দেশের উপদেষ্টা পরিষদ নেতা প্রফেসর মুহম্মদ ইউনুস টেলিভিশনের মাধ্যমে জাতিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা অত্যন্ত দুঃখিত এবং এই শোকের সময়ে সকলকে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অনুরোধ জানাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “দুঃখ এই যে আমরা এমন একজন রাজনীতিককে হারালাম, যিনি দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।”
৩১ ডিসেম্বর, বুধবার দুপুর ৩ টা ৫ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তার জানাজা ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিতকরণ অনুষ্ঠানেও বিরাট জনসমাগম লক্ষ্য করা গেছে।
খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার ভোরে ইন্তেকাল করেন, বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। দীর্ঘ অসুস্থতায় তিনি ঢাকার এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার মৃত্যু সংবাদ প্রকাশ পেলে দেশজুড়ে শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও আন্তর্জাতিক মহল থেকে সমবেদনা জানানো হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, ব্রিটিশ হাইকমিশনের পতাকা অর্ধনমিত রাখার সিদ্ধান্ত কূটনৈতিক মর্যাদার পাশাপাশি বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার ভূমিকার ওপরও একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন