বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ এখন কানায় কানায় পূর্ণ। জানাজাস্থলে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে। শোক ও শ্রদ্ধায় পুরো এলাকা ভারী হয়ে উঠেছে।
আজ বাদ জোহর দুপুর ২টার দিকে মানিক মিয়া এভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় অংশ নিতে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক দিয়ে মানুষের স্রোত সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় এসে জমা হচ্ছে। মানিক মিয়া এভিনিউ ছাড়াও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিসৌধ এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। জানাজা শেষে বেগম খালেদা জিয়াকে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে চন্দ্রিমা উদ্যানে সমাহিত করা হবে। সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
বর্তমানে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ গুলশানে রয়েছে। আজ সকাল সোয়া ৯টার দিকে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনে আনা হয়। সেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্য, স্বজন ও দলীয় নেতা-কর্মীরা শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। পাশেই রয়েছে ‘ফিরোজা’ নামের বাসভবন, যেখানে বেগম খালেদা জিয়া বসবাস করতেন।
গুলশানে তারেক রহমানের বাসভবন ও ফিরোজা এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ ও র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে মোতায়েন রয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর সংক্রমণ ও নিউমোনিয়া নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ইন্তেকালে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে দেশ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ এখন কানায় কানায় পূর্ণ। জানাজাস্থলে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নেমেছে। শোক ও শ্রদ্ধায় পুরো এলাকা ভারী হয়ে উঠেছে।
আজ বাদ জোহর দুপুর ২টার দিকে মানিক মিয়া এভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় অংশ নিতে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক দিয়ে মানুষের স্রোত সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় এসে জমা হচ্ছে। মানিক মিয়া এভিনিউ ছাড়াও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিসৌধ এলাকায় বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। জানাজা শেষে বেগম খালেদা জিয়াকে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে চন্দ্রিমা উদ্যানে সমাহিত করা হবে। সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
বর্তমানে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ গুলশানে রয়েছে। আজ সকাল সোয়া ৯টার দিকে জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনে আনা হয়। সেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পরিবারের সদস্য, স্বজন ও দলীয় নেতা-কর্মীরা শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। পাশেই রয়েছে ‘ফিরোজা’ নামের বাসভবন, যেখানে বেগম খালেদা জিয়া বসবাস করতেন।
গুলশানে তারেক রহমানের বাসভবন ও ফিরোজা এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ ও র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে মোতায়েন রয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর সংক্রমণ ও নিউমোনিয়া নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার ইন্তেকালে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে দেশ।

আপনার মতামত লিখুন