আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা–১৭ আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বগুড়া–৬ এর পাশাপাশি রাজধানীর এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রার্থী হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে তারেক রহমানের পক্ষে তার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এর আগে তিনি ঢাকা–১৭ আসনের ভোটার হিসেবেও নাম অন্তর্ভুক্ত করেন, যা তাকে এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আইনি যোগ্যতা প্রদান করে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর তার নির্বাচনী প্রস্তুতি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজধানীর প্রভাবশালী ও কৌশলগত আসন হিসেবে পরিচিত ঢাকা–১৭ এর অন্তর্ভুক্ত এলাকায় রয়েছে গুলশান, বনানী, বারিধারা, নতুন বাজার ও ঢাকা সেনানিবাসের বড় অংশ। এখানে ভোটারদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্যবসায়ী, প্রবাসী পরিবার, পেশাজীবী ও এলিট শ্রেণির প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ অঞ্চলের ভোটার কাঠামো ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় বিএনপি দীর্ঘদিন ধরেই এ আসনটিকে কৌশলগত স্থানে রেখেছে।
জানা গেছে, শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনার ফলে এ আসনে জোটের সম্ভাব্য প্রার্থী দাঁড়াতে পারেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। তবে দীর্ঘ আলোচনার পর শরিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—ঢাকা–১৭ আসনে একক প্রার্থী হবেন তারেক রহমান। ফলে জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীকে ভোলা–১ আসনে স্থানান্তর করা হয়।
তারেক রহমানের নির্বাচনী টিম ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে প্রচারণার কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। বিশেষত প্রবাসী পরিবার, কূটনৈতিক এলাকায় বসবাসকারী নাগরিক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে ক্যাম্পেইনে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিএনপির নেতাদের মতে, ঢাকার রাজনীতিতে দলের হারানো অবস্থান পুনরুদ্ধারে এই আসনে তারেক রহমানের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দলের এক শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেন, “রাজধানীর সবচেয়ে আলোচিত আসনগুলোর একটিতে তারেক রহমানকে প্রার্থী করা বিএনপির কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ। এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আরও সক্রিয় হবে এবং রাজধানীতে ভোটারদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, বগুড়া–৬ ও ঢাকা–১৭—দুটি আসনে একসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত বিএনপির নির্বাচনী কৌশলের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তারেক রহমানের সক্রিয় উপস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে বলেও তারা মনে করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা–১৭ আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বগুড়া–৬ এর পাশাপাশি রাজধানীর এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রার্থী হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে তারেক রহমানের পক্ষে তার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। এর আগে তিনি ঢাকা–১৭ আসনের ভোটার হিসেবেও নাম অন্তর্ভুক্ত করেন, যা তাকে এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আইনি যোগ্যতা প্রদান করে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর তার নির্বাচনী প্রস্তুতি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজধানীর প্রভাবশালী ও কৌশলগত আসন হিসেবে পরিচিত ঢাকা–১৭ এর অন্তর্ভুক্ত এলাকায় রয়েছে গুলশান, বনানী, বারিধারা, নতুন বাজার ও ঢাকা সেনানিবাসের বড় অংশ। এখানে ভোটারদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্যবসায়ী, প্রবাসী পরিবার, পেশাজীবী ও এলিট শ্রেণির প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ অঞ্চলের ভোটার কাঠামো ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনায় বিএনপি দীর্ঘদিন ধরেই এ আসনটিকে কৌশলগত স্থানে রেখেছে।
জানা গেছে, শুরুতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনার ফলে এ আসনে জোটের সম্ভাব্য প্রার্থী দাঁড়াতে পারেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। তবে দীর্ঘ আলোচনার পর শরিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—ঢাকা–১৭ আসনে একক প্রার্থী হবেন তারেক রহমান। ফলে জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীকে ভোলা–১ আসনে স্থানান্তর করা হয়।
তারেক রহমানের নির্বাচনী টিম ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে প্রচারণার কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। বিশেষত প্রবাসী পরিবার, কূটনৈতিক এলাকায় বসবাসকারী নাগরিক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে ক্যাম্পেইনে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিএনপির নেতাদের মতে, ঢাকার রাজনীতিতে দলের হারানো অবস্থান পুনরুদ্ধারে এই আসনে তারেক রহমানের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দলের এক শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেন, “রাজধানীর সবচেয়ে আলোচিত আসনগুলোর একটিতে তারেক রহমানকে প্রার্থী করা বিএনপির কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ। এতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আরও সক্রিয় হবে এবং রাজধানীতে ভোটারদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, বগুড়া–৬ ও ঢাকা–১৭—দুটি আসনে একসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত বিএনপির নির্বাচনী কৌশলের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তারেক রহমানের সক্রিয় উপস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে বলেও তারা মনে করেন।

আপনার মতামত লিখুন