দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় পর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের সামনে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কিছুক্ষণ নীরবতা পালনের পর তিনি মোনাজাত করেন। মোনাজাত শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে চোখের পানি মুছতে দেখা যায় তাকে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। প্রথমে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। এরপর জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
দলীয় নেতাদের সঙ্গে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে একাকী কবরের সামনে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। পরে ব্যক্তিগতভাবে মোনাজাত করেন তিনি। এ সময় তাকে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়তে দেখা যায়।
শ্রদ্ধা নিবেদনকালে তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খানসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে তারেক রহমান সর্বশেষ জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের কারণে এরপর আর তার পক্ষে দেশে এসে শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব হয়নি।
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ফেরার দিন রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় দলের পক্ষ থেকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এরপর অসুস্থ মাকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান এবং পরে গুলশানের বাসভবনে ফেরেন।
এদিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কর্মসূচি থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে তারেক রহমানের পক্ষে বিএনপির নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় পর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের সামনে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কিছুক্ষণ নীরবতা পালনের পর তিনি মোনাজাত করেন। মোনাজাত শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে চোখের পানি মুছতে দেখা যায় তাকে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা জানান তারেক রহমান। প্রথমে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। এরপর জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
দলীয় নেতাদের সঙ্গে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে একাকী কবরের সামনে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। পরে ব্যক্তিগতভাবে মোনাজাত করেন তিনি। এ সময় তাকে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়তে দেখা যায়।
শ্রদ্ধা নিবেদনকালে তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খানসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে তারেক রহমান সর্বশেষ জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের কারণে এরপর আর তার পক্ষে দেশে এসে শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব হয়নি।
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ফেরার দিন রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় দলের পক্ষ থেকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এরপর অসুস্থ মাকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান এবং পরে গুলশানের বাসভবনে ফেরেন।
এদিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কর্মসূচি থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে তারেক রহমানের পক্ষে বিএনপির নেতারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

আপনার মতামত লিখুন