আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে অংশ নিতে বিএনপিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন। তবে তিনি কবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেবেন, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানা যায়নি।
গণঅধিকার পরিষদের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের মধ্যে যেসব দলকে বিএনপি আসন ছাড় দিয়েছে, তাদের অনেককেই ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিএনপির ধারণা, ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করলে বিজয়ের সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি থাকবে। এরই মধ্যে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক তিনটি দলের শীর্ষ নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবে গণঅধিকার পরিষদও রাশেদ খাঁনকে বিএনপিতে যোগদানের অনুমতি দিয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, নির্বাচনের জয়ের কৌশলের অংশ হিসেবে দল থেকে রাশেদ খাঁনকে বিএনপিতে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, রাশেদ খাঁন ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করলেও গণঅধিকার পরিষদের প্রতীক ট্রাক নিয়েই ভোট করবেন।
নুরুল হক নুর আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের উত্তাল সময়ে বিএনপির নেতৃত্বে গণঅধিকার পরিষদসহ প্রায় ৪২টি রাজনৈতিক দল যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেয়। একদফা দাবিতে পরিচালিত সেই আন্দোলনের পর থেকেই রাষ্ট্র সংস্কার, নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়ে শরিক দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও আলোচনা চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান আরপিও অনুযায়ী জোটবদ্ধ থাকলেও নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান থাকায় সব আসনে সব প্রতীকের জয় পাওয়া সম্ভব নয়। সে কারণে যুগপৎ আন্দোলনের অনেক শরিকই নির্বাচনে জয়ের কৌশল হিসেবে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদ নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি জানান, যে আসন থেকে রাশেদ খাঁন নির্বাচন করবেন, সেখানে জয়ের সম্ভাবনা বিবেচনায় তাকে বিএনপিতে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে তিনি গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করবেন এবং পরে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে একজনকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
রাশেদ খাঁনের বিএনপিতে যোগদানের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগ দিতে পারেন।
এর আগে নিজ নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন বিএলডিপির সভাপতি শাহদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমদ এবং এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ও জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে অংশ নিতে বিএনপিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন। তবে তিনি কবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেবেন, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানা যায়নি।
গণঅধিকার পরিষদের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের মধ্যে যেসব দলকে বিএনপি আসন ছাড় দিয়েছে, তাদের অনেককেই ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিএনপির ধারণা, ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করলে বিজয়ের সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি থাকবে। এরই মধ্যে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক তিনটি দলের শীর্ষ নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবে গণঅধিকার পরিষদও রাশেদ খাঁনকে বিএনপিতে যোগদানের অনুমতি দিয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, নির্বাচনের জয়ের কৌশলের অংশ হিসেবে দল থেকে রাশেদ খাঁনকে বিএনপিতে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, রাশেদ খাঁন ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করলেও গণঅধিকার পরিষদের প্রতীক ট্রাক নিয়েই ভোট করবেন।
নুরুল হক নুর আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের উত্তাল সময়ে বিএনপির নেতৃত্বে গণঅধিকার পরিষদসহ প্রায় ৪২টি রাজনৈতিক দল যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেয়। একদফা দাবিতে পরিচালিত সেই আন্দোলনের পর থেকেই রাষ্ট্র সংস্কার, নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়ে শরিক দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও আলোচনা চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান আরপিও অনুযায়ী জোটবদ্ধ থাকলেও নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান থাকায় সব আসনে সব প্রতীকের জয় পাওয়া সম্ভব নয়। সে কারণে যুগপৎ আন্দোলনের অনেক শরিকই নির্বাচনে জয়ের কৌশল হিসেবে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদ নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি জানান, যে আসন থেকে রাশেদ খাঁন নির্বাচন করবেন, সেখানে জয়ের সম্ভাবনা বিবেচনায় তাকে বিএনপিতে যোগদানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে তিনি গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে পদত্যাগ করবেন এবং পরে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে একজনকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হবে।
রাশেদ খাঁনের বিএনপিতে যোগদানের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, এ বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগ দিতে পারেন।
এর আগে নিজ নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন বিএলডিপির সভাপতি শাহদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমদ এবং এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ও জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ।

আপনার মতামত লিখুন