হাদি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে আজ দুপুরে শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকদের বিক্ষোভ শুরু হয়ে ধীরে ধীরে বড় আকারের অবরোধে রূপ নেয়। হঠাৎ এই অবরোধে শাহবাগসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে, ফলে ঢাকার কেন্দ্রীয় অংশজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে।
বেলা প্রায় ১টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন কলেজ, মাইলস্টোন কলেজ এবং কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ব্যানার–ফেস্টুন হাতে শাহবাগ মোড়ে জড়ো হন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্তদের এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং তদন্ত কার্যক্রম অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। তাদের দাবি, হাদি একজন সাধারণ নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন, অথচ তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
শাহবাগের চারমুখী সড়ক একযোগে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় শাহবাগ–পলাশী, শাহবাগ–বাংলামোটর, শাহবাগ–কারওয়ান বাজার ও শাহবাগ–আজিমপুর সড়কে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে বহু বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও ব্যক্তিগত গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে পড়ে। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং রোগীবাহী গাড়ির যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেকেই বাধ্য হয়ে দীর্ঘ পথ হেঁটে গন্তব্যে রওনা দেন। যানজটের প্রভাব পড়ে বেইলি রোড, ফার্মগেট, সায়েন্স ল্যাব ও মৎস্য ভবন এলাকাতেও।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শাহবাগ থানা, রমনা বিভাগ এবং ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়ক ছাড়ার অনুরোধ জানালেও আন্দোলনকারীরা জানান, হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে স্পষ্ট সরকারি বার্তা না পাওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
এদিকে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে এমন অবরোধ জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। তবে অনেকেই হাদি হত্যার বিচার দাবিকে ন্যায্য উল্লেখ করে বলেন, দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত হলে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যাত্রীদের বিকল্প সড়ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হলেও বিকল্প রুটগুলোতেও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ায় সামগ্রিকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
সংবাদ লেখা পর্যন্ত শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং যান চলাচল আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
হাদি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে আজ দুপুরে শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকদের বিক্ষোভ শুরু হয়ে ধীরে ধীরে বড় আকারের অবরোধে রূপ নেয়। হঠাৎ এই অবরোধে শাহবাগসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে, ফলে ঢাকার কেন্দ্রীয় অংশজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে।
বেলা প্রায় ১টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন কলেজ, মাইলস্টোন কলেজ এবং কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ব্যানার–ফেস্টুন হাতে শাহবাগ মোড়ে জড়ো হন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্তদের এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং তদন্ত কার্যক্রম অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। তাদের দাবি, হাদি একজন সাধারণ নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছেন, অথচ তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
শাহবাগের চারমুখী সড়ক একযোগে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় শাহবাগ–পলাশী, শাহবাগ–বাংলামোটর, শাহবাগ–কারওয়ান বাজার ও শাহবাগ–আজিমপুর সড়কে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে বহু বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও ব্যক্তিগত গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে পড়ে। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং রোগীবাহী গাড়ির যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেকেই বাধ্য হয়ে দীর্ঘ পথ হেঁটে গন্তব্যে রওনা দেন। যানজটের প্রভাব পড়ে বেইলি রোড, ফার্মগেট, সায়েন্স ল্যাব ও মৎস্য ভবন এলাকাতেও।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শাহবাগ থানা, রমনা বিভাগ এবং ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়ক ছাড়ার অনুরোধ জানালেও আন্দোলনকারীরা জানান, হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে স্পষ্ট সরকারি বার্তা না পাওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
এদিকে সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে এমন অবরোধ জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। তবে অনেকেই হাদি হত্যার বিচার দাবিকে ন্যায্য উল্লেখ করে বলেন, দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত হলে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যাত্রীদের বিকল্প সড়ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হলেও বিকল্প রুটগুলোতেও অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ায় সামগ্রিকভাবে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
সংবাদ লেখা পর্যন্ত শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভকারীরা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং যান চলাচল আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন