ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের পূর্ব মাধবপুর গ্রামে মারুফ খান (২৪) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নিজ বাড়ির একটি কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মারুফকে দেখতে পান তার স্ত্রী। পরে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দিলে ভাঙ্গা থানার এসআই হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত মারুফ খান পূর্ব মাধবপুর গ্রামের মিন্টু খানের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মারুফ মাদকাসক্ত ছিলেন বলে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দাবি করেছেন। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে পরিবারের সঙ্গে তার রাগ-অভিমান হয়। পরে রাতে খাবার না খেয়ে তিনি নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। একই কারণে তার স্ত্রীও অভিমান করে অন্য কক্ষে গিয়ে ঘুমান।
সকালে পরিবারের সদস্যরা মারুফের ঘরের দরজায় ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাননি। পরে তার স্ত্রী থাই গ্লাস দিয়ে ঘরের ভেতরে তাকিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে দরজা ভেঙে মারুফকে নিচে নামান।
তবে পারিবারিক কলহের জেরে মারুফ আত্মহত্যা করেছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভাঙ্গা থানার এসআই হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের পূর্ব মাধবপুর গ্রামে মারুফ খান (২৪) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নিজ বাড়ির একটি কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মারুফকে দেখতে পান তার স্ত্রী। পরে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দিলে ভাঙ্গা থানার এসআই হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত মারুফ খান পূর্ব মাধবপুর গ্রামের মিন্টু খানের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মারুফ মাদকাসক্ত ছিলেন বলে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা দাবি করেছেন। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে পরিবারের সঙ্গে তার রাগ-অভিমান হয়। পরে রাতে খাবার না খেয়ে তিনি নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। একই কারণে তার স্ত্রীও অভিমান করে অন্য কক্ষে গিয়ে ঘুমান।
সকালে পরিবারের সদস্যরা মারুফের ঘরের দরজায় ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাননি। পরে তার স্ত্রী থাই গ্লাস দিয়ে ঘরের ভেতরে তাকিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে দরজা ভেঙে মারুফকে নিচে নামান।
তবে পারিবারিক কলহের জেরে মারুফ আত্মহত্যা করেছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভাঙ্গা থানার এসআই হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন