লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি)-এর চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীরবিক্রম বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল অলি আহমদ বলেন, বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে এলডিপিকে যথাযথ গুরুত্ব ও সম্মান দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে আসন সমঝোতা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে শরিক দল হিসেবে এলডিপির মতামত উপেক্ষিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমরা আর জোটের রাজনীতিতে থাকতে চাই না। এলডিপি তার নিজস্ব আদর্শ ও শক্তি নিয়ে জনগণের কাছে যাবে। তাই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেব।”
অলি আহমদ আরও বলেন, রাজনীতিতে আত্মমর্যাদা ও ন্যায্যতার প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, জোট রাজনীতিতে এলডিপি বারবার অবমূল্যায়নের শিকার হয়েছে, যা দলটির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।
এলডিপি সূত্র জানায়, দলটি সারাদেশে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং খুব শিগগিরই সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক বৈঠকও ডাকা হবে বলে জানানো হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এলডিপির এই সিদ্ধান্ত বিরোধী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।
উল্লেখ্য, কর্নেল অলি আহমদ দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত থাকলেও বিভিন্ন সময় দলটির সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের সমালোচনা করে আসছিলেন। সর্বশেষ এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে সেই দূরত্ব প্রকাশ্যে এলো।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি)-এর চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বীরবিক্রম বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এককভাবে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে কর্নেল অলি আহমদ বলেন, বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে এলডিপিকে যথাযথ গুরুত্ব ও সম্মান দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে আসন সমঝোতা ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে শরিক দল হিসেবে এলডিপির মতামত উপেক্ষিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, “আমরা আর জোটের রাজনীতিতে থাকতে চাই না। এলডিপি তার নিজস্ব আদর্শ ও শক্তি নিয়ে জনগণের কাছে যাবে। তাই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেব।”
অলি আহমদ আরও বলেন, রাজনীতিতে আত্মমর্যাদা ও ন্যায্যতার প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, জোট রাজনীতিতে এলডিপি বারবার অবমূল্যায়নের শিকার হয়েছে, যা দলটির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।
এলডিপি সূত্র জানায়, দলটি সারাদেশে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং খুব শিগগিরই সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণে কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক বৈঠকও ডাকা হবে বলে জানানো হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এলডিপির এই সিদ্ধান্ত বিরোধী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।
উল্লেখ্য, কর্নেল অলি আহমদ দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত থাকলেও বিভিন্ন সময় দলটির সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের সমালোচনা করে আসছিলেন। সর্বশেষ এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে সেই দূরত্ব প্রকাশ্যে এলো।

আপনার মতামত লিখুন