শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সারজিস।
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার বাতাস শুধু দুই জায়গায় দেখা যায়। একটা সোশ্যাল মিডিয়া, আরেকটা হলো ভারতে।”
সারজিসের দাবি, বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার সুযোগ নেই। তিনি দলটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ তুলে বলেন, দেশের স্বাধীন ও সার্বভৌম ভূখণ্ডে এসব অভিযোগে অভিযুক্ত এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া হবে না।
এ সময় দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রী যদি স্বীকার করেন যে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, তাহলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের দায় নিতে হবে।
সারজিস বলেন, একটি মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতার দায় শুধু একজন মন্ত্রীর ওপর চাপিয়ে দিলেই হবে না। কোনো মন্ত্রী সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারলে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যর্থ মন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে দিলে সেই ব্যর্থতার দায় প্রধানমন্ত্রীও এড়াতে পারেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সমালোচনা করেন সারজিস। তার অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর ‘প্রক্সি’ হিসেবে কাজ করতে গিয়ে নিজের মন্ত্রণালয়ে যথেষ্ট নজর দিতে পারছেন না।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে সারজিস বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজের মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে নিয়ে জাতীয় সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সারজিস।
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার বাতাস শুধু দুই জায়গায় দেখা যায়। একটা সোশ্যাল মিডিয়া, আরেকটা হলো ভারতে।”
সারজিসের দাবি, বাংলাদেশের মাটিতে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার সুযোগ নেই। তিনি দলটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ তুলে বলেন, দেশের স্বাধীন ও সার্বভৌম ভূখণ্ডে এসব অভিযোগে অভিযুক্ত এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া হবে না।
এ সময় দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, অর্থমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রী যদি স্বীকার করেন যে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, তাহলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের দায় নিতে হবে।
সারজিস বলেন, একটি মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতার দায় শুধু একজন মন্ত্রীর ওপর চাপিয়ে দিলেই হবে না। কোনো মন্ত্রী সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারলে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যর্থ মন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে দিলে সেই ব্যর্থতার দায় প্রধানমন্ত্রীও এড়াতে পারেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সমালোচনা করেন সারজিস। তার অভিযোগ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর ‘প্রক্সি’ হিসেবে কাজ করতে গিয়ে নিজের মন্ত্রণালয়ে যথেষ্ট নজর দিতে পারছেন না।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে সারজিস বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজের মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে নিয়ে জাতীয় সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন