স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক সাংগঠনিক বৈঠক করছেন তারেক রহমান। এসব বৈঠকে প্রার্থী নির্বাচন, দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন, তৃণমূলের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকানোর বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে।
দলীয় সূত্র বলছে, স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব প্রথমে সংশ্লিষ্ট এলাকার নেতাদেরই দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় নেতৃত্ব ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারলে বিভাগীয় এবং প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সহযোগিতা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা ও জনগ্রহণযোগ্যতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, দলের প্রতি আনুগত্য, স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
বিএনপির নেতাদের আশঙ্কা, দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হলে একই এলাকার একাধিক নেতা নিজেদের বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন। এতে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিভক্তি তৈরি হওয়ার পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা সুবিধা পেতে পারেন। এ কারণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তারেক রহমান স্থানীয় নেতাদের জানিয়েছেন, কেন্দ্র থেকে প্রার্থী চাপিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে তৃণমূলের মতামত ও আলোচনাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। স্থানীয় নেতারা আলোচনার মাধ্যমে একজন প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারলে দলগতভাবে তার পক্ষেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলোর পুনর্গঠন শেষ করে তৃণমূলকে আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান। তবে কমিটি গঠনের সময় বিতর্কিত ব্যক্তি বা অন্য দল থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীরা যাতে গুরুত্বপূর্ণ পদে জায়গা না পান, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও জানিয়েছেন, স্থানীয় নির্বাচনে দল একজনকেই সমর্থন দেবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়া হওয়ার কথা রয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে। বিএনপিও একক প্রার্থী নিশ্চিত করা, অভ্যন্তরীণ বিভেদ কমানো এবং তৃণমূল সংগঠন শক্তিশালী করাকে নির্বাচনী প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন জেলার নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক সাংগঠনিক বৈঠক করছেন তারেক রহমান। এসব বৈঠকে প্রার্থী নির্বাচন, দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন, তৃণমূলের সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকানোর বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে।
দলীয় সূত্র বলছে, স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে একজন গ্রহণযোগ্য প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব প্রথমে সংশ্লিষ্ট এলাকার নেতাদেরই দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় নেতৃত্ব ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারলে বিভাগীয় এবং প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সহযোগিতা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা ও জনগ্রহণযোগ্যতাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, দলের প্রতি আনুগত্য, স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
বিএনপির নেতাদের আশঙ্কা, দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হলে একই এলাকার একাধিক নেতা নিজেদের বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন। এতে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিভক্তি তৈরি হওয়ার পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা সুবিধা পেতে পারেন। এ কারণে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তারেক রহমান স্থানীয় নেতাদের জানিয়েছেন, কেন্দ্র থেকে প্রার্থী চাপিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে তৃণমূলের মতামত ও আলোচনাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। স্থানীয় নেতারা আলোচনার মাধ্যমে একজন প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারলে দলগতভাবে তার পক্ষেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলোর পুনর্গঠন শেষ করে তৃণমূলকে আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান। তবে কমিটি গঠনের সময় বিতর্কিত ব্যক্তি বা অন্য দল থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীরা যাতে গুরুত্বপূর্ণ পদে জায়গা না পান, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও জানিয়েছেন, স্থানীয় নির্বাচনে দল একজনকেই সমর্থন দেবে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়া হওয়ার কথা রয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে। বিএনপিও একক প্রার্থী নিশ্চিত করা, অভ্যন্তরীণ বিভেদ কমানো এবং তৃণমূল সংগঠন শক্তিশালী করাকে নির্বাচনী প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে।

আপনার মতামত লিখুন