ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবের লড়াকু সৈনিক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল দাউদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (২১ ২১ ডিসেম্বর ২০২৫) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মোহাম্মদ জুনায়েদ এই নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর মতিঝিল এলাকা থেকে প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন হাদি। পেছন থেকে মোটরসাইকেলে এসে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীরা তাকে লক্ষ্য করে চলন্ত অবস্থায় গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে গত ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
এ ঘটনায় গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। শুরুতে এটি ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হলেও হাদির মৃত্যুর পর গত ২০ ডিসেম্বর আদালত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজনের আদেশ দেন।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র ও জনশ্রুতি রয়েছে যে, হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার সহযোগীরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে। তবে ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম রোববার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তারা এখনও আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত হতে পারেননি। এরই মধ্যে পলাতক আসামিদের দেশত্যাগ ঠেকাতে এবং আইনি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আদালতের এই নিষেধাজ্ঞা এলো।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবের লড়াকু সৈনিক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল দাউদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (২১ ২১ ডিসেম্বর ২০২৫) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মোহাম্মদ জুনায়েদ এই নির্দেশ প্রদান করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর মতিঝিল এলাকা থেকে প্রচারণা শেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন হাদি। পেছন থেকে মোটরসাইকেলে এসে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীরা তাকে লক্ষ্য করে চলন্ত অবস্থায় গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে গত ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
এ ঘটনায় গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। শুরুতে এটি ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হলেও হাদির মৃত্যুর পর গত ২০ ডিসেম্বর আদালত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজনের আদেশ দেন।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র ও জনশ্রুতি রয়েছে যে, হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার সহযোগীরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছে। তবে ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম রোববার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তারা এখনও আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত হতে পারেননি। এরই মধ্যে পলাতক আসামিদের দেশত্যাগ ঠেকাতে এবং আইনি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আদালতের এই নিষেধাজ্ঞা এলো।

আপনার মতামত লিখুন