২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ঘোষিত ফলাফলে যশোর শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন চুয়াডাঙ্গা জেলায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৮.৭০ শতাংশ। বোর্ডের গড় পাসের হার ৬৬.২৭ শতাংশকে পেছনে ফেলে জেলাটি আগের বছরের ষষ্ঠ অবস্থান থেকে উন্নতি করে এবার বোর্ডে ৩য় স্থান অর্জন করেছে।
এ বছর যশোর বোর্ডের অধীনে চুয়াডাঙ্গা জেলার ১৯টি কেন্দ্রের ১৩৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৮ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮ হাজার ৫৯৪ জন শিক্ষার্থী (৪,৩০৩ জন ছাত্র এবং ৪,২৯১ জন ছাত্রী)।
পরীক্ষায় মোট কৃতকার্য হয়েছে ৫ হাজার ৯০৪ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ ৫ অর্জন করেছে ৭০৬ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলাটিতে পাসের সংখ্যা ও সফলতার হার—উভয় ক্ষেত্রেই ছাত্রদের পেছনে ফেলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। মোট কৃতকার্যের মধ্যে ৩ হাজার ১৭৭ জন ছাত্রী এবং ২ হাজার ৭২৭ জন ছাত্র।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে জেলাটি থেকে ১ হাজার ১০৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৬২ জন কৃতকার্য হয়েছে। এতে মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৫০.৮১ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৪ জন শিক্ষার্থী।
অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) থেকে মোট ১ হাজার ৬৭৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৮৮০ জন কৃতকাজ হয়েছে। এতে কারিগরি বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.৫৩ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ লাভ করেছে ৩৯ জন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ঘোষিত ফলাফলে যশোর শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন চুয়াডাঙ্গা জেলায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৮.৭০ শতাংশ। বোর্ডের গড় পাসের হার ৬৬.২৭ শতাংশকে পেছনে ফেলে জেলাটি আগের বছরের ষষ্ঠ অবস্থান থেকে উন্নতি করে এবার বোর্ডে ৩য় স্থান অর্জন করেছে।
এ বছর যশোর বোর্ডের অধীনে চুয়াডাঙ্গা জেলার ১৯টি কেন্দ্রের ১৩৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৮ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮ হাজার ৫৯৪ জন শিক্ষার্থী (৪,৩০৩ জন ছাত্র এবং ৪,২৯১ জন ছাত্রী)।
পরীক্ষায় মোট কৃতকার্য হয়েছে ৫ হাজার ৯০৪ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ ৫ অর্জন করেছে ৭০৬ জন। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলাটিতে পাসের সংখ্যা ও সফলতার হার—উভয় ক্ষেত্রেই ছাত্রদের পেছনে ফেলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। মোট কৃতকার্যের মধ্যে ৩ হাজার ১৭৭ জন ছাত্রী এবং ২ হাজার ৭২৭ জন ছাত্র।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে জেলাটি থেকে ১ হাজার ১০৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৬২ জন কৃতকার্য হয়েছে। এতে মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৫০.৮১ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ পেয়েছে ১৪ জন শিক্ষার্থী।
অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) থেকে মোট ১ হাজার ৬৭৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৮৮০ জন কৃতকাজ হয়েছে। এতে কারিগরি বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.৫৩ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ লাভ করেছে ৩৯ জন।

আপনার মতামত লিখুন