খাগড়াছড়িতে বিশ্ব আদিবাসী দিবস উপলক্ষে র্যালি ও সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-এমএন লারমা)। এ সময় পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে খাগড়াছড়ি শহরের চেঙ্গী স্কয়ার থেকে একটি র্যালি বের করে জেএসএস। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ অংশ নেন।
র্যালির আগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিল্পীরা নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরে নৃত্য পরিবেশন করেন। পরে র্যালিটি শাপলা চত্বর হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মারমা উন্নয়ন সংসদে গিয়ে শেষ হয়।
পরে মারমা উন্নয়ন সংসদে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীদের সাংবিধানিকভাবে আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
খাগড়াছড়িতে বিশ্ব আদিবাসী দিবস উপলক্ষে র্যালি ও সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-এমএন লারমা)। এ সময় পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।
রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে খাগড়াছড়ি শহরের চেঙ্গী স্কয়ার থেকে একটি র্যালি বের করে জেএসএস। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ অংশ নেন।
র্যালির আগে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিল্পীরা নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরে নৃত্য পরিবেশন করেন। পরে র্যালিটি শাপলা চত্বর হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মারমা উন্নয়ন সংসদে গিয়ে শেষ হয়।
পরে মারমা উন্নয়ন সংসদে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসীদের সাংবিধানিকভাবে আদিবাসী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন