ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত অবস্থায় ওই স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম বাকপুরা গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মারুফ মাতুব্বর (৩৮) ওই গ্রামের মৃত মোখছেদ মাতুব্বরের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। প্রতি বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়িতে আসেন এবং শনিবার সকালে কর্মস্থলে ফিরে যান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারুফের সঙ্গে তার স্ত্রী শিখা (৩০)-এর দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বিচার-সালিশও হয়েছে। এরই মধ্যে শনিবার দুপুরে মারুফ বাড়িতে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় শিখা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে দেন বলে অভিযোগ ওঠে।
মারুফের চিৎকার শুনে তার বড় ভাই রেজাউল মাতুব্বর ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য মারুফকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনার খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার এসআই মো. সেলিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে অভিযুক্ত স্ত্রী শিখাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
আটক শিখা সদরপুর উপজেলার শামসুর এলাকার মৃত মানিক খানের মেয়ে।
পুলিশ জানিয়েছে, কী কারণে এবং কী পরিস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত অবস্থায় ওই স্বামীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম বাকপুরা গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মারুফ মাতুব্বর (৩৮) ওই গ্রামের মৃত মোখছেদ মাতুব্বরের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। প্রতি বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়িতে আসেন এবং শনিবার সকালে কর্মস্থলে ফিরে যান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারুফের সঙ্গে তার স্ত্রী শিখা (৩০)-এর দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার বিচার-সালিশও হয়েছে। এরই মধ্যে শনিবার দুপুরে মারুফ বাড়িতে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় শিখা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে দেন বলে অভিযোগ ওঠে।
মারুফের চিৎকার শুনে তার বড় ভাই রেজাউল মাতুব্বর ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য মারুফকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
ঘটনার খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানার এসআই মো. সেলিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে অভিযুক্ত স্ত্রী শিখাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
আটক শিখা সদরপুর উপজেলার শামসুর এলাকার মৃত মানিক খানের মেয়ে।
পুলিশ জানিয়েছে, কী কারণে এবং কী পরিস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন