সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের কাশিকাপন এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-২৫৬৩) এবং বিপরীত দিক থেকে আসা সিলেটগামী বেঙ্গল স্লিপার কোচের একটি বাসের (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-৫৯৮৭) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় ইউনিক পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের ধানক্ষেতে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন। পরে আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ, শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নিহতদের মধ্যে পরিচয় শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— সাইফুল ইসলাম (৫০), পিতা: মৃত সাফি মিয়া, গ্রাম: গোবরীনা, লক্ষ্মীপুর, থানা: কুলিয়ারচর, জেলা: কিশোরগঞ্জ; জাইফা ইসলাম (৩), পিতা: জাহাঙ্গীর শেখ, সাং: বিক্রমপুর, ঢাকা এবং সপ্তম রায় (প্রীতম) (২২), পিতা: উত্তম রায়, সাং: সোবানীঘাট, সিলেট।
এছাড়া নিহত আরও ছয়জনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন নুরুন নাহার (২৪), মো. মফিজ মিয়া (২৯), ফারুক মিয়া (২৯), মুক্তার (২৯), জাহাঙ্গীর (৩০), আফরুজা (২৯), আফজাল, বাবুলসহ আরও কয়েকজন। তারা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতরা সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল ব্যাহত হলেও শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ও ওসমানীনগর থানা পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ ঘটনায় শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের কাশিকাপন এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে যাত্রীবাহী দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, সিলেট থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-২৫৬৩) এবং বিপরীত দিক থেকে আসা সিলেটগামী বেঙ্গল স্লিপার কোচের একটি বাসের (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-৫৯৮৭) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় ইউনিক পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের ধানক্ষেতে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন। পরে আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ, শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নিহতদের মধ্যে পরিচয় শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— সাইফুল ইসলাম (৫০), পিতা: মৃত সাফি মিয়া, গ্রাম: গোবরীনা, লক্ষ্মীপুর, থানা: কুলিয়ারচর, জেলা: কিশোরগঞ্জ; জাইফা ইসলাম (৩), পিতা: জাহাঙ্গীর শেখ, সাং: বিক্রমপুর, ঢাকা এবং সপ্তম রায় (প্রীতম) (২২), পিতা: উত্তম রায়, সাং: সোবানীঘাট, সিলেট।
এছাড়া নিহত আরও ছয়জনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহতদের মধ্যে রয়েছেন নুরুন নাহার (২৪), মো. মফিজ মিয়া (২৯), ফারুক মিয়া (২৯), মুক্তার (২৯), জাহাঙ্গীর (৩০), আফরুজা (২৯), আফজাল, বাবুলসহ আরও কয়েকজন। তারা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতরা সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন।
দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল ব্যাহত হলেও শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ও ওসমানীনগর থানা পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ ঘটনায় শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন