গত ১৮ বছরে মানবসম্পদ উন্নয়নের পরিবর্তে অবকাঠামো নির্মাণ ও দুর্নীতিতেই সাবেক সরকার বেশি মনোযোগ দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে পিরোজপুর জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের চিকিৎসক ও জনবল সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাবেক সরকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বড় বড় ভবন নির্মাণ করলেও সেগুলো পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল তৈরিতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়নি। ফলে বর্তমানে স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।
তিনি বলেন, "এই ঘাটতি একদিনে পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে। আগামী দুই এক মাসের মধ্যেই প্রায় ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে জেলা সদর হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করছি।"
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসা সেবার সার্বিক পরিস্থিতি, রোগীদের ভোগান্তি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও জনবল নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমান, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি গাজী ওবায়দুজ্জামান লাভলু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন কুমার, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহিনসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
গত ১৮ বছরে মানবসম্পদ উন্নয়নের পরিবর্তে অবকাঠামো নির্মাণ ও দুর্নীতিতেই সাবেক সরকার বেশি মনোযোগ দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে পিরোজপুর জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের চিকিৎসক ও জনবল সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাবেক সরকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বড় বড় ভবন নির্মাণ করলেও সেগুলো পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল তৈরিতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়নি। ফলে বর্তমানে স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।
তিনি বলেন, "এই ঘাটতি একদিনে পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে। আগামী দুই এক মাসের মধ্যেই প্রায় ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে জেলা সদর হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করছি।"
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসা সেবার সার্বিক পরিস্থিতি, রোগীদের ভোগান্তি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও জনবল নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমান, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি গাজী ওবায়দুজ্জামান লাভলু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন কুমার, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহিনসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন