স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা মডেল মসজিদের হিসাব পরিচালনার জন্য একটি নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব রয়েছে। বিধি অনুযায়ী, ওই হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য উপজেলা মডেল মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার যৌথ স্বাক্ষর প্রয়োজন। অভিযোগ অনুযায়ী, মোয়াজ্জেম মো. মাহফুজ রহমান কোনো ধরনের অনুমোদন বা পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই একটি চেকে ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংকে জমা দিয়ে সরকারি অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা করেন। তবে ব্যাংক কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে তারা চেকের স্বাক্ষর যাচাই করেন। যাচাই-বাছাইয়ে স্বাক্ষরটি জাল বলে প্রমাণিত হলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অর্থ প্রদান স্থগিত রেখে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করে। ঘটনার পর উপজেলা প্রশাসন বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। মসজিদের মতো একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন অভিযোগ ওঠায় স্থানীয় মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, চেকের স্বাক্ষরে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় অর্থ উত্তোলন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, স্বাক্ষর জালের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। সরকারি অর্থ ও সরকারি নথিতে স্বাক্ষর জালিয়াতি একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত মো. মাহফুজ রহমানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মোয়াজ্জেম মো. মাহফুজ রহমানের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে সরকারি অর্থ উত্তোলনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসার পর উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা মডেল মসজিদের হিসাব পরিচালনার জন্য একটি নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব রয়েছে। বিধি অনুযায়ী, ওই হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য উপজেলা মডেল মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার যৌথ স্বাক্ষর প্রয়োজন। অভিযোগ অনুযায়ী, মোয়াজ্জেম মো. মাহফুজ রহমান কোনো ধরনের অনুমোদন বা পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত ছাড়াই একটি চেকে ইউএনও’র স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংকে জমা দিয়ে সরকারি অর্থ উত্তোলনের চেষ্টা করেন। তবে ব্যাংক কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে তারা চেকের স্বাক্ষর যাচাই করেন। যাচাই-বাছাইয়ে স্বাক্ষরটি জাল বলে প্রমাণিত হলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অর্থ প্রদান স্থগিত রেখে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করে। ঘটনার পর উপজেলা প্রশাসন বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। মসজিদের মতো একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন অভিযোগ ওঠায় স্থানীয় মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, চেকের স্বাক্ষরে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় অর্থ উত্তোলন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, স্বাক্ষর জালের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে। সরকারি অর্থ ও সরকারি নথিতে স্বাক্ষর জালিয়াতি একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত মো. মাহফুজ রহমানের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মোয়াজ্জেম মো. মাহফুজ রহমানের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে সরকারি অর্থ উত্তোলনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসার পর উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন